ওয়েজবোর্ড তদারকি করা হবে: তথ্যমন্ত্রি

0
সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ড ঘোষণার পর তা বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা-তা তদারকি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, ‘বাস্তবায়নের ঘোষনা দিয়ে কেউ তা না করলে সেটি আমরা অবশ্যই তদারকি করবো।’ যে কেউ চাইলেই অনুমোদন বিহীন একটা অনলাইন টেলিভিশন খুলে ফেলবে-এটা হতে পারে না উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আইপি টিভি এখন বাস্তবতা, কিন্তু এটিকেও একটি নিতিমালার আওতায় আনার জন্য আমরা কার্যক্রম শুরু করেছি।‘ অনলাইন পোর্টালে সঠিক সংবাদ পরিবেশন ও আইপি টেলিভিশনের জন্য নীতিমালা করা হচ্ছে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী। তথ্যমন্ত্রী এ সময়  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে বলেন, ‘সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ নিরসন করা হবে।’ গেল ১৪ই জানুয়ারি তথ্যমন্ত্রী ঘোষণা দেন, ২৮শে জানুয়ারির মধ্যে নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সেই সাথে তিনি সাংবাদ কর্মীদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘সাংবাদিকদের কল্যাণ করা তার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম কাজ।’ প্রসঙ্গত, গত বছর, সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো নির্ধারণে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন করে সরকার। ১৩ সদস্যের এই বোর্ডে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. নিজামুল হককে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এছাড়া সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ এবং সাংবাদিক ও সংবাদপত্র কর্মচারি বা শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সমসংখ্যক প্রতিনিধিও রয়েছে ওয়েজ বোর্ডে। বাংলাদেশ শ্রম আইন- ২০০৬ এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী এ বোর্ড গঠন করে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। সংবাদপত্র ও বার্তা সংস্থার কর্মীদের জন্য এই বোর্ড বেতন-ভাতা নির্ধারণ করবে। তবে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদের বিষয়টি আইনগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সুপারিশ করবে বোর্ড। এর আগে, ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সংবাদপত্র কর্মীদের বেতন-ভাতা ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের গেজেট প্রকাশ করে সরকার।
Share.

Comments are closed.