সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, হতে পারে ভারী বর্ষণ প্রশিক্ষণের জন্য রাঙামাটিতে এপিসি আনা হয়েছে, গুজবে কান না দিতে পুলিশের আহ্বান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক জোরদারে নিয়মিত যোগাযোগের তাগিদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুনের হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ ইসরাইলের ইসরাইলি হামলায় লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নিহত ১১ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন খলিলুর রহমান: বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশের কূটনীতি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বিটিটিএফ ২০২৬ গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনা চুক্তি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না : হাইকোর্টের রুল

অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, প্রমাণের আগেই কাউকে অপরাধী বানানো যাবে না’ ​— বাংলাদেশ রেলওয়ে

বিশ্বজিৎ মন্ডল , ঢাকা:    / ৭ Time View
Update : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, প্রমাণের আগেই কাউকে অপরাধী বানানো যাবে না’
​— বাংলাদেশ রেলওয়ে

 

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির পক্ষে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি’ (বিআরপিএস)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়। প্রমাণ ও তদন্ত নিষ্পত্তির আগেই ঢালাওভাবে কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা প্রশাসনিক সংস্কৃতির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
​সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনিরের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।
​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অডিট আপত্তি বা অনিয়ম প্রমাণিত হলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত পরিচালনা করতে হবে। কিন্তু চূড়ান্ত তদন্ত ও নিষ্পত্তির আগেই অডিট আপত্তিকে ‘দুর্নীতির চূড়ান্ত রায়’ হিসেবে গণমাধ্যমে বা জনসমক্ষে প্রচার করা হলে জনগণের মধ্যে ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়।
​পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প নিয়ে তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানের আহ্বান
বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ করে ‘পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প’-এ ১৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাকার অতিরিক্ত খরচের দাবি প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। পোষ্য সোসাইটির পক্ষ থেকে বলা হয়, চুক্তি মূল্যের সঙ্গে সংশোধিত ব্যয় ও প্রকৃত ব্যয়ের পার্থক্যকে সরাসরি ‘অতিরিক্ত ব্যয়’ বলা বিভ্রান্তিকর হতে পারে। আবেগ নয়, বরং সংশ্লিষ্ট নথি ও তথ্যের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার আহ্বান জানানো হয়।
​নথি উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বড় কোনো জাতীয় প্রকল্প একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিচালিত হয় না। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পেও বিভিন্ন সময়ে একাধিক কর্মকর্তা প্রকল্প পরিচালকের (PD) দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে ছিলেন এস. কে. চক্রবর্তী, সুকুমার ভৌমিক, গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মো. আফজাল হোসেন এবং বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন নাজনীন আরা কেয়া। সুতরাং, কোনো নির্দিষ্ট সময়ের সিদ্ধান্ত, কাজের পরিমাণ যাচাই, মান প্রত্যয়ন বা বিল ভেটিংয়ের দায়ভার কেবল একক কোনো ব্যক্তির ওপর চাপানো সঠিক নয়।
​স্বচ্ছতা ও সত্য অনুসন্ধানের অনুরোধ
সংগঠনটি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলে, কোনো একটি পক্ষের বক্তব্য বা কেবল একটি অডিট রিপোর্টের ওপর নির্ভর না করে প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয়, সংশোধিত ব্যয়, বিল প্রদানের প্রক্রিয়া, কাজের গুণগত মান এবং অর্থ ছাড়ের নথি খতিয়ে দেখে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা উচিত।
​বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি স্পষ্ট করে জানান:
১. তাঁরা কাউকে দায়মুক্তি দিতে চান না, আবার প্রমাণ ছাড়া কাউকে অভিযুক্ত করতেও চান না।
২. অনিয়ম হলে বা দোষী প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক, তবে নিরপেক্ষ তদন্তের আগেই কোনো কর্মকর্তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে অপপ্রচার বা চরিত্রহনন বন্ধ করতে হবে।
৩. কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন প্রশাসনিক ভয়ভীতি বা অপপ্রচারের শিকার না হয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
​বিজ্ঞপ্তির শেষভাগে সংগঠনটি পুনর্ব্যক্ত করে, “আমরা অপপ্রচার নয়—প্রমাণ চাই। অভিযোগ নয়—তদন্ত চাই। দুর্নীতি হলে শাস্তি চাই, আর নির্দোষ কেউ যেন অপপ্রচারের শিকার না হন—তার ন্যায়বিচার চাই।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives