জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাংগঠনিক ও পরিচিত সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত
জিয়া শিশু কিশোর মেলার নবগঠিত কমিটির প্রথম সাংগঠনিক ও পরিচিত সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জিয়া শিশু কিশোর মেলার সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আমিনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি একেএম হোসেন টমাস, সহ-সভাপতি হাজী আখতার হোসেন ও কাওসার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির, দপ্তর সম্পাদক, সহ-দপ্তর সম্পাদক আহসান হাবিব সবুজ, গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হাফিজুর রহমান শফিক, সহ-গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বিপ্লবসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদার বলেন, দেশের চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি তিনি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং বন্যায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণআন্দোলন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে শাহাদাত বরণকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের জাতির ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখতেন। তাঁর উদ্যোগে ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠান, জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতা, জাতীয় শিশু একাডেমি এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়। সেই আদর্শ থেকেই বিএনপিতে শিশু সংগঠন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
জাহাঙ্গীর শিকদার আরও বলেন, ১/১১-এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আগের শিশু সংগঠন কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শে গড়ে তুলতে ২০১২ সালে নতুন চিন্তাধারা থেকে জিয়া শিশু কিশোর মেলা প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ২০১৩ সালের ১৯ জানুয়ারি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করা হয়।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তব্য রাখার জন্য এই সংগঠন গড়ে তুলিনি। আমরা সারাদেশের শিশু-কিশোরদের মাঝে সামাজিক চিন্তা, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে কাজ করতে চাই।
জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আমিন বলেন, বর্তমান ডিজিটাল দুনিয়ায় জিয়া শিশু কিশোর মেলার পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। তাই যুগের সঙ্গে এগিয়ে যেতে সংগঠনের ওয়েবসাইট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এটি তৈরির কাজ চলছে। এটি শুধু একটি ওয়েবসাইট নয়, বরং সংগঠনের সব সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি সফটওয়্যার হিসেবেও কাজ করবে।
তিনি বলেন, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ সদস্য ও শিশুদের সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। পাশাপাশি প্রতিটি কমিটি নিজ নিজ কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন-নিবেদনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমও এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই এর কাজ সম্পন্ন হবে।

আশরাফুল আমিন আরও বলেন, নির্বাহী, জেলা ও থানা কমিটির সদস্যরা নিজ নিজ ইউজার লগইনের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। একই সঙ্গে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রকাশনার উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন তথ্য ওয়েবসাইটে দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁর রাজনৈতিক জীবন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার একটি ছোট্ট ঘটনা রয়েছে। তিনি জানান, তিনি অন্য কোনো নেতার মাধ্যমে নয়, নিজস্ব বিশ্বাস থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন।







