মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীর ক্ষমতায়ন, ভূমি ও কৃষিতে প্রবেশাধিকার এবং সম মজুরী নিশ্চিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরী ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি রোভার স্কাউট গ্রুপের ৩য় দীক্ষা ক্যাম্প ও তাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে নারী সংসদ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতা করে থাকলে,তাঁকেই কেন সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়? আউটসোর্সিং কর্মচারীদের বৈষম্য দীর্ঘায়িত করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’—মাহাবুব হোসেন ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানী প্রতিরোধ করি, সকল নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করি’-এই প্রতিপাদ্যের আলোকে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত কোম্পানির হস্তক্ষেপ তামাক নিয়ন্ত্রণের বড়ো বাঁধা ব্যাটিং ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ম্যাচে হারল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল টেকসই গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে: সিইসি

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় মালিতে অন্তত ৫০ সেনার প্রাণহানি

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১৯৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় মালিতে অন্তত ৫০ সেনার প্রাণহানি

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির উত্তরাঞ্চলে সশস্ত্র তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ৫০ সেনার প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া আরও অন্তত ২৪ সেনাকে বন্দী করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় ও সামরিক সূত্রগুলো।

সূত্রগুলো এএফপিকে জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ চলার পর গত শনিবার আনেফিস ত্যাগ করা সেনাবাহিনীর একটি বহরে এই হামলা চালানো হয়। জুলাইয়ের শুরুতে তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠী এফএলএ এবং আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম অল্প সময়ের জন্য শহরটি দখল করে। তারা মালির সেনাবাহিনী ও রুশ-সমর্থিত আফ্রিকা কোর বাহিনীর ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটিও ঘিরে ফেলেছিল। পরে জেএনআইএম ও এফএলএ উভয়ই এই হামলার দায় স্বীকার করে।

সামরিক সরকারের ঘনিষ্ঠ এক স্থানীয় কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, হামলায় ৫০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ২৪ জনকে বন্দি করা হয়েছে। তার মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালির সেনাবাহিনীর ওপর এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি।

মালির সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলায় তাদের সদস্যদের সরাসরি লক্ষ্য করে হত্যা করা হয়েছে। কী কারণে সেনারা এতটা অরক্ষিত হয়ে পড়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।

সূত্রগুলোর মতে, সেনাবাহিনীকে সহায়তাকারী রুশ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা হামলার আগেই গাও শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ফলে তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। গাও অঞ্চলের এক কমিউনিটি নেতা বলেন, নিহতদের মধ্যে কেউ রুশ নাগরিক নন। সবাই মালির সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্র-সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্য।

মালির সেনাবাহিনী স্বীকার করেছে, তাদের বহর একটি অতর্কিত হামলার মুখে পড়েছিল। তবে তারা হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। ২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মালি সামরিক সরকারের অধীনে রয়েছে। দীর্ঘদিনের জিহাদি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা দমনে এবং দেশের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারে সামরিক জান্তা এখনো বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives