পরমাণুকেন্দ্রে হামলা ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’, বিধ্বংসী জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
পরমাণুকেন্দ্রে হামলা ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’, বিধ্বংসী জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানের দারখোভিন অঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে আখ্যায়িত করেছে দেশটির আণবিক শক্তি সংস্থা। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণকাজ একেবারে শুরুর দিকে ছিল বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা। তারা হামলার বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থা এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে এ হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। যুক্তরাষ্ট্রের চরিত্রই হলো আইনের বাইরে গিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখানো।
আল জাজিরার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, সন্ত্রাসী ও অপরাধী মার্কিন সরকার, যার প্রকৃতি নিপীড়ন ও আইনহীনতার প্রতীক, তারা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এই আগ্রাসী ও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে।
ইরান এ হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন উল্লেখ করে এটিকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বর্বরোচিত আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছে।
হরমুজ নিয়েই মূলত নতুন পাল্টাপাল্টি হামলা চললেও নিউজনেশনকে ট্রাম্প বলেছেন, পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে ইরানকে বিরত রাখাই তাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যের কথা আগেও বলেছিল ওয়াশিংটন। তবে ট্রাম্পের নতুন এ বক্তব্যের মধ্যে গত শনিবার অষ্টম রাতের হামলায় ইরানের দারখোভিন অঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী।
মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, শনিবার রাতের হামলার লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার জন্য ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরকে শাস্তি দেওয়া।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের ‘বিধ্বংসী জবাব’ দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর-জেনারেল আলী আবদুল্লাহি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন যে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে যেকোনো আগ্রাসন বা বর্বরতার জবাব একটি চূড়ান্ত ও বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে।







