শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
​শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সেমিনার অনুষ্ঠিত শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলেই দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হবে মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ২০২৬ পুলিশ পদক সন্মাননা প্রাপ্তিতে এবার নারায়ণগঞ্জ জেলার পিবিআই শীর্ষ তালিকায় আসন্ন বাজেটে ভূমিহীনদের কর্মসংস্থান ও বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত যে কলম বিক্রি হয়নি: একজন সাংবাদিকের আত্মকাহিনি চলচ্চিত্রের পর্দায় ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা আইন লঙ্ঘন ও নাগরিক অধিকার হরণ করে দখলদারিকেই মাঠ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়েছে রাজউক ব্যবসায়ী থেকে গভর্নর: আর্থিক খাতে নতুন চমকের নাম মোস্তাকুর রহমান : অয়ন আহমেদ পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের সাথে বিশ্বশান্তি কুঠির প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ একুশে বইমেলায় আসছে সাংবাদিক মোস্তফা খানের উপন্যাস ‘একটি কলমের দাম’

আসন্ন বাজেটে ভূমিহীনদের কর্মসংস্থান ও বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ / ১০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

আজ ১৫ মে ২০২৬, বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন এর উদ্যোগে রাজধানীর মেহেরবা প্লাজা ১০/বি-তে আসন্ন জাতীয় বাজেটে ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও বিশেষ বরাদ্দ প্রদানের দাবিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ নাসির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ভূমি হীন আন্দোলন,
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসনাত কাইয়ুম, সভাপতি বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ড. হালিম দাদ খান, সমন্বয় ক হাওর এলাকাবাসী, জাকির হোসেন, মানবাধিকার কর্মী এবং ড. মাহী মির্জা, শিক্ষক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ— মিরাজ মোল্লা, সভাপতি, সিরাজগঞ্জ জেলা; আব্দুল হামিদ শেখ, সভাপতি, লালমনিরহাট জেলা; এবং আবদুল শুক্কুর মিয়া, সভাপতি, সুনামগঞ্জ জেলা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম মামুন।
প্রধান আলোচক হাসনাত কাইয়ুম বলেন, “যারা ক্ষমতায় যায় তারা আমাদের মানূষ দের কাছ থেকে নানা কায়দায় খাজনা তুলে আর আমাদের জীবন ও দেশ বন্ধক রেখে বিদেশীদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে করে দেশ চালানোর নামে লুটপাট করে। বর্তমান বাজেট লুটপাট করতেই তৈরি করা হয়। তাই আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে ভূমিহীন মানুষ ৬৪ জেলায় নিজেদের জন্য বিকল্প বাজেট তৈরি করবে। তাছাড়া বাজেটে ভূমিহীনদের জন্য ভূমিহীন কার্ডের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে এবং সেখানে আবাসন, প্রত্যাবর্তন রেশন, স্বাস্থ্য ও তাদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে।”

ড. মাহী মির্জা বলেন, “ভূমিহীন মানুষ পরিশ্রমী ও সংগ্রামী। তারা দেশের জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও তাদের কর্মসংস্থান নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয় না। গ্রামে দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলা যেতে পারে, উৎপাদনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কলকারখানা স্থাপন করা যেতে পারে। হাওর অঞ্চলের কৃষকদের জন্য ক্রপ ড্রায়ারের ব্যবস্থাও করা প্রয়োজন ছিল। যাদের করা দরকার তারা উদাসীন।”
মানবাধিকার কর্মী জাকির হোসেন বলেন, “দেশে কত খাস জমি রয়েছে তার সঠিক তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও অনলাইনে প্রকাশ করা জরুরি। কোথায় কোথায় খাস জমি আছে তা জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা দরকার।”
সভাপতি শেখ নাসির উদ্দিন বলেন, “সংবিধানে সাধারণ মানুষের কোন কথা নাই। সংবিধান সংস্কার করতেই হবে, দেশের পুলিশ প্রশাসন সব জমিদারি স্টাইলে ব্রিটিশ আমলের মতোই চলছে। যারাই ক্ষমতায় যায় ভূমিহীনদের নিয়ে কিছুই ভাবে না। ভূমি হীনদের কর্ম সংস্থানে বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রাখতে হবে।”

হালিম দাদ খান বলেন, দেশের অর্থবছর বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হলে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সুবিধা হবে এবং অপ্রয়োজনীয় অপচয় কমবে।
সভা থেকে আসন্ন বাজেটে ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান, খাস জমির সুষ্ঠু বণ্টন, কৃষি ও গ্রামীণ শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives