ক্যাম্পাস টু কর্পোরেট’ প্রতিপাদ্যে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে স্কিল অ্যান্ড এমপ্লয়েবিলিটি সামিট অনুষ্ঠিত
ক্যাম্পাস টু কর্পোরেট’ প্রতিপাদ্যে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে স্কিল অ্যান্ড এমপ্লয়েবিলিটি সামিট অনুষ্ঠিত
‘ক্যাম্পাস টু কর্পোরেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দিনব্যাপী ‘স্কিল অ্যান্ড এমপ্লয়েবিলিটি সামিট ২০২৬’। শনিবার (১৫ আগস্ট) আয়োজিত এ সামিটের মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও কর্পোরেট দুনিয়ার মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে তাদের চাকরির বাজারের জন্য আরও দক্ষ ও প্রস্তুত করে তোলা।
সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুপ্রেরণামূলক বক্তৃতা প্রদান করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী (Professor Dr. Farid A. Sobhani)। উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ডিন প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম ইকবাল আজিম ও ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা।
সামিটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জব অফার। দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান এতে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীরা সরাসরি প্রতিষ্ঠানগুলোর বুথে গিয়ে তাদের পছন্দের পদ ও সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের জন্য সিভি জমা দেওয়ার সুযোগ পান। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পরবর্তীতে জমা পড়া সিভিগুলো যাচাই-বাছাই করে সম্ভাব্য শূন্যপদের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচন করবে। সামিটের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে খ্যাতনামা চাকরির প্ল্যাটফর্ম স্কিল জবস।

শুধু চাকরির সুযোগ নয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় সামিটে।দিনব্যাপী বিভিন্ন অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন খাতের অভিজ্ঞ কর্পোরেট পেশাজীবীরা অংশ নেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের সিভি লেখার কৌশল, চাকরির সাক্ষাৎকারে নিজেকে উপস্থাপন, কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, নেতৃত্ব, দলগত কাজ, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং আধুনিক কর্পোরেট পরিবেশের উপযোগী পেশাগত দক্ষতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যবহুল দিকনির্দেশনা দেন।

আলোচনায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা, কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন, ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড তৈরি, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, প্রবৃদ্ধিমুখী মানসিকতা, আত্মসচেতনতা ও কর্মসংস্থানযোগ্যতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চাহিদা ও প্রত্যাশা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা লাভের সুযোগ পান।
সমাপনী পর্বে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান (Dr. Abul Basher Khan), এডমিশন বিভাগের পরিচালক (ইনচার্জ) ও সহযোগী অধ্যাপক আবু মো. আবদুল্লাহ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট এফেয়ার্স ও প্লেসমেন্ট অফিসের উপপরিচালক কে. এম. মনিরুল ইসলাম বক্তব্য প্রদান করেন। পরে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও অতিথিদের সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে সামিটের সমাপ্তি হয়।







