অটো রিকশা ও থ্রি-হুইলার চালকদের পাওনা আদায় ও নিবন্ধনে সংবাদ সম্মেলন: কোটি মানুষের সুবিধার্থে বিচার বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়নের তাগিদ
অটো রিকশা ও থ্রি-হুইলার চালকদের পাওনা আদায় ও নিবন্ধনে সংবাদ সম্মেলন: কোটি মানুষের সুবিধার্থে বিচার বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়নের তাগিদ
সারাদেশে অটো রিকশা, থ্রি-হুইলার ও চালকদের নিবন্ধন, পাওনা টাকা আদায় এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রদত্ত রিট পিটিশন ও রুল আবেদনের আদেশ বাস্তবায়নের দাবিতে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানা যায়, সারাদেশের থ্রি-হুইলার মালিক ও চালকদের দীর্ঘদিনের দাবি ও অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনি ও প্রশাসনিক ধারাবাহিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত বাংলাদেশ ইলেকট্রিক মোটরযান প্র hisshkhon & ইজিবাইক সার্ভিস লিমিটেড সহ সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে মহাসড়ক ব্যতীত অন্যান্য রাস্তায় প্রায় ১ কোটি মানুষের যুক্ত থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের মূল বক্তব্য ও ঘটনাবলী:
আইনি পদক্ষেপ ও সুপ্রিম কোর্টের আদেশ: সুপ্রিম কোর্টের রিট পিটিশন নম্বর ৯৯২১ (তারিখ: ৩০/০৭/২০২৩) এর ধারাবাহিকতায় এবং বিজ্ঞ বিচারকের স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকায় অটো রিকশা ও ইজিবাইকের পাওনা আদায়ের বিষয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
পাওনা আদায় ও বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়া: দেশের প্রায় ১ কোটি মানুষের পক্ষ হয়ে রিট আবেদনের মাধ্যমে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট থেকে চালক ও মালিকদের বিভিন্ন পাওনা আদায়ের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হয়েছে।
সরকারি রাজস্বে সহায়তার প্রস্তাব: সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের গাইডলাইন অনুযায়ী সারাদেশে আনুমানিক ৪০ লাখ গাড়ি চালকের কাছ থেকে নিবন্ধন ও ফি বাবদ বিশাল অংকের রাজস্ব আদায়ের সুযোগ রয়েছে। হিসাব তুলে ধরে বলা হয়, ৪০ লাখ গাড়ি থেকে নির্ধারিত ফি ও বার্ষিক চার্জ (যেমন: ৪০০০ টাকা + ১০০০ টাকা = ৫০০০ টাকা) সংগ্রহ করা হলে জাতীয় বাজেটে প্রায় ২০০০ কোটি টাকা (৮০০০ × ৫০ লাখ বা সমপরিমাণ) রাজস্ব যোগ হতে পারে।
মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা: ব্যাটারিচালিত ও থ্রি-হুইলার যানসমূহকে নির্দিষ্ট ট্রাফিক নিয়মের আওতায় এনে দেশের সড়ক দুর্ঘটনা রোধ এবং চালকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও কার্ড প্রদানের মাধ্যমে সেবা ব্যবস্থার মান উন্নয়নের ব্যাপারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ আবুল কালামের স্বাক্ষর সম্বলিত লিখিত বক্তব্য প্রদান করা হয়। বক্তারা বিচার বিভাগ ও সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে দরিদ্র চালক ও মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ভূমিকা রাখার জোর আহ্বান জানান।







