রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও ১২ দফা দাবিতে নির্মাণ শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন ‘কাণ্ডারি হুঁশিয়ার’ গানের শতকণ্ঠে শতবর্ষ উদযাপন, সুকান্তের জন্মশতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি রাজশাহীতে চলতি মৌসুমে ৫৪৯ কোটি টাকার পাট বিক্রির সম্ভাবনা ফেড প্রধানের বক্তব্যে সুদ বাড়ানোর ইঙ্গিতে ডলারের দর বৃদ্ধি বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণশিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী মারস্ক লাইন লেবানন-ইসরাইল চুক্তি আবারও প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহ প্রধানের, ‘আত্মসমর্পণ নয়’ বরিশাল বিভাগ সমিতি, আয়োজনে শোকসভা দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে ১২ দলীয় জোটের শোক প্রকাশ   নেপাল ও চীনের সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার, প্রাণহানি ৬৩৩ ইইউর সদস্যপদ বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করবে কি না, এ নিয়ে আইসল্যান্ডে গণভোট

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও ১২ দফা দাবিতে নির্মাণ শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন

বিশ্বজিৎ মন্ডল , ঢাকা:    / ১৯ Time View
Update : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও ১২ দফা দাবিতে নির্মাণ শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন

কর্মক্ষেত্রে জীবনের নিরাপত্তা, নিয়োগপত্র এবং বর্তমান দ্রব্যমূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরিসহ ১২ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কার্স ফেডারেশন’ (বিবিসিডব্লিউএফ)।

​আজ রবিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেশের প্রায় ৮০ লাখ নির্মাণ শ্রমিকের করুণ ও মানবেতর জীবনযাত্রার চিত্র তুলে ধরা হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে বিবিসিডব্লিউএফ-এর কার্যকরী সভাপতি জনাব আমিরুল হক আমিনের সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসেন। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সহ-সভাপতি জনাব মোঃ আবদুল মতিন এবং সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসেন।

​সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও আধুনিক সভ্যতার কারিগর হলেও বাংলাদেশের নির্মাণ শ্রমিকরা চরম অবহেলিত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেফটি হেলমেট, সেফটি বেল্ট বা গ্লাভসের মতো ন্যূনতম নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। এছাড়া শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক হলেও ৮০ লাখ শ্রমিকের প্রায় সবাই এই মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এতে তারা প্রতিনিয়ত মজুরি বঞ্চনা ও মালিকপক্ষের হয়রানির শিকার হন। দুর্ঘটনার শিকার হলে চিকিৎসা বা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণেরও কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত প্রধান ১২ দফা দাবি:

১. শ্রম আইন অনুযায়ী নির্মাণ শ্রমিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান করা।

২. কর্মক্ষেত্রে জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

৩. জীবন যাপনের উপযোগী মজুরি নির্ধারণ করা।

৪. সামাজিক নিরাপত্তা ও অবসরকালীন সময়ের জন্য ‘অবসর কল্যাণ’ ভাতা নিশ্চিতে সরকারি তহবিলের ব্যবস্থা করা।

৫. জেলাভিত্তিক আবাসন ব্যবস্থা ও আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করা।

৬. কর্মক্ষেত্রে আহত বা নিহত শ্রমিকদের চিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ ও পুর্নবাসন জোরদার করা।

৭. ঝুকিপূর্ণ কর্মস্থল ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে মনিটরিং ব্যবস্থা চালু রাখা।

৮. জেলাভিত্তিক বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতাল স্থাপন করা।

৯. সকল প্রকার নির্মাণের জন্য সরকারি অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা এবং ১% নির্মাণ শ্রমিক কল্যাণ ফান্ডে জমা দেওয়া।

১০. শ্রমিক সংশ্লিষ্ট শ্রম আইনের ধারাসমূহ সংশোধন করে শ্রমবান্ধব করা।

১১. প্রতিটি নির্মাণ শ্রমিককে গ্রুপ বীমার আওতায় আনা এবং সরকারি ছুটি কার্যকর করা।

পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা:

সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, দাবি আদায় না হলে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (রবিবার) সকাল ১১:০০ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘নির্মাণ শ্রমিক মানববন্ধন’ কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে সারা দেশে স্মারকলিপি প্রদান ও বিক্ষোভ সমাবেশের মতো ধারাবাহিক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives