মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বেকারি খাতে ন্যূনতম মজুরি এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনের হুশিয়ারি ​ কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও ১২ দফা দাবিতে নির্মাণ শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন ‘কাণ্ডারি হুঁশিয়ার’ গানের শতকণ্ঠে শতবর্ষ উদযাপন, সুকান্তের জন্মশতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি রাজশাহীতে চলতি মৌসুমে ৫৪৯ কোটি টাকার পাট বিক্রির সম্ভাবনা ফেড প্রধানের বক্তব্যে সুদ বাড়ানোর ইঙ্গিতে ডলারের দর বৃদ্ধি বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণশিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী মারস্ক লাইন লেবানন-ইসরাইল চুক্তি আবারও প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহ প্রধানের, ‘আত্মসমর্পণ নয়’ বরিশাল বিভাগ সমিতি, আয়োজনে শোকসভা দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে ১২ দলীয় জোটের শোক প্রকাশ   নেপাল ও চীনের সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার, প্রাণহানি ৬৩৩

হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বেকারি খাতে ন্যূনতম মজুরি এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনের হুশিয়ারি ​

বিশ্বজিৎ মন্ডল , ঢাকা:    / ৭ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বেকারি খাতে ন্যূনতম মজুরি এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনের হুশিয়ারি

দেশের হোটেল, রেস্তোরাঁ, বেকারি ও ফাস্টফুড সেক্টরে সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি এবং বাংলাদেশ শ্রম আইন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছে ‘হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ’। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি এই আল্টিমেটাম প্রদান করে।

দাবি ও অভিযোগের বিষয়াবলি:

  • ঘোষিত গেজেট উপেক্ষার অভিযোগ: দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের প্রেক্ষিতে সরকার ২০২৫ সালের ২ মে হোটেল সেক্টরের সর্বনিম্ন ক্যাটাগরির জন্য ১৩,০৫০ টাকা (ডি শ্রেণি), ২০০ সিট পর্যন্ত ১৪,৭০০ টাকা (বি শ্রেণি) এবং ৩০০ সিটের বেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য ১৫,৭৫০ টাকা (এ শ্রেণি) ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে। তবে অধিকাংশ মালিকপক্ষ এই গেজেট বাস্তবায়ন করছে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়।
  • শ্রমিক বঞ্চনা ও অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা: প্রায় ৮০ লাখ শ্রমিকের এই খাতে প্রতিদিন ১২ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করানো হলেও আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি দেওয়া হয় না। এছাড়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিস বুক এবং সাপ্তাহিক ছুটির বিধান মেনে চলা হচ্ছে না।
  • হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের বিচার দাবি: আন্দোলনরত শ্রমিক নেতাদের ওপর নির্যাতন এবং বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক হত্যার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। সম্প্রতি রংপুরের আলম হোটেলের শ্রমিক শাওনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত মালিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি তোলা হয়।

সংগ্রাম পরিষদের কঠোর বার্তা:

শ্রমিক অধিকার আদায় ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি গেজেট ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে মালিকদের তালবাহানা অব্যাহত থাকলে কর্মবিরতিসহ আরও কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন শ্রমিক নেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives