শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবিতে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মানববন্ধন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক-এর শোক সভা অনুষ্ঠিত শিশুদের মানবিক গুণাবলি জাগ্রত করতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হার আমাকে দীর্ঘ সময় তাড়িয়ে বেড়াবে : বার্ন ইরানে একদিনে দুই দফা হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র মেরে ট্যাংকার অচল দেশের রপ্তানির ১৭.৫১ শতাংশ এসেছে বেপজা থেকে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেবল টিকে থাকাই যথেষ্ট ছিল না’ হেরে যাওয়ার পরও কৌশলগত সিদ্ধান্তে অটল টুখেল বিশ্বে নতুন নজির: গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা করল মাস্কের ‘এক্সএআই’ বিশ্বে ফের অস্থির তেলের দাম, বিপিসির বড় লোকসানের শঙ্কা

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেবল টিকে থাকাই যথেষ্ট ছিল না’

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেবল টিকে থাকাই যথেষ্ট ছিল না’

ফাইনালের ওঠার লড়াইয়ের ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরে গেছে ইংল্যান্ড। ১৯৬৬ সালের শেষ বিশ্বকাপে ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল থ্রি লায়ন্সরা। এবারও খুব কাছাকাছি গিয়ে স্বপ্নভঙ্গ হলো হ্যারি কেইনদের।

তাইতো ম্যাচ শেষে দলের ইংলিশ অধিনায়ক ছিলেন বিষণ্ণ। বিবিসি-কে তিনি বলেন, দলের সবার জন্য আমি ভীষণ হতাশ। তার মতে, সেমিফাইনালে দল সামগ্রিকভাবে ভালো খেললেও শেষ পর্যন্ত তাদের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে। কেইন বলেন, সেমি ফাইনালে পৌঁছাতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং দলের সবাই নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছে; তারা শেষ শক্তিটুকু দিয়ে দৌড়েছে এবং রক্ত-ঘাম-অশ্রু বিসর্জন দিয়েছে। এত কিছুর পরও চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারাটা সত্যিই খুব কষ্টের।

ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর আমরা যেন কেবল সেই লিড ধরে রাখার চেষ্টাই করছিলাম; কিন্তু এই পর্যায়ে এসে শুধু রক্ষণাত্মক মানসিকতা যথেষ্ট নয় বলেও জানান ব্রায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার। কেইন জানান, গর্ডনের গোলের পর তুখেল ও তার কোচিং স্টাফের বার্তা ছিল আক্রমণ অব্যাহত রাখার; কিন্তু মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ড ক্রমশ রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ছিল এবং প্রতিপক্ষকে চাপ তৈরির সুযোগ করে দিচ্ছিল। যা আর্জেন্টিনা নিজেদের সুবিধায় কাজে লাগায়।

কেইন বলেন, গোলের পর প্রতিপক্ষের পায়ে থাকা বল কেড়ে নিতে বা চাপ সৃষ্টি করতে আমাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। আমার মনে হয়, বিশেষ করে প্রথমার্ধে এবং দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আমরা তাদের ওপর ভালোভাবেই চাপ সৃষ্টি করেছিলাম। মাঠের ওপরের দিকে তাদের চেপে ধরেছিলাম। এর ফলে আমরা বল কেড়ে নিতে পারছিলাম এবং খেলাটা কিছুটা ভালো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছিলাম। গোলের পর হয়তো তারা আক্রমণে বেশি খেলোয়াড় পাঠাচ্ছিল অথবা আমরা তাদের ‘ম্যান-টু-ম্যান’ মার্কিংয়ে পেরে উঠছিলাম না। তাদের আক্রমণের ঢেউয়ের পর ঢেউ আসছিল। ছেলেরা অনেক শট বা পাস আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট ছিল না।

ইংলিশ অধিনায়ক বলেন, ম্যাচের যেকোনো পরিস্থিতির জন্য ছেলেরা সবসময় প্রস্তুত ছিল। আমরা যখন এগিয়ে গেলাম, তখন বার্তা ছিল আক্রমণ চালিয়ে যাওয়া এবং আরও একটি গোল করার চেষ্টা করা। কিন্তু তারা যখন দুটি গোল শোধ করে দিল, তখন আমরা ম্যাচে ফেরার মতো কোনো গতি বা ছন্দ খুঁজে পাইনি।

শিরোপার জন্য এটি আর্জেন্টিনার সপ্তম ফাইনাল। ২০১৪ সালের পর থেকে আর্জেন্টিনা কেবল একবারই বিশ্বকাপের ফাইনাল মিস করেছে; তা ছিল ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে। ওই বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে দ্বিতীয় রাউন্ডে (শেষ ষোলো) হেরে বিদায় নিয়েছিল তারা। মেসি ও স্কালোনির হাত ধরে চতুর্থ তারার খোঁজে আছে দলটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives