এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভুয়া ছবি ও মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গাজী জুয়েল
সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টাল ও একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বলে চাঁদা দাবি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার, গাজী জুয়েল” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদ সূত্রে জানা যায়, গাজী জুয়েল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হল শাখা রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছাত্রদল ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে গাজী জুয়েল একাধিকবার হামলা, মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে কয়েকবার কারাবরণও করতে হয়েছে।
এছাড়াও অভিযোগ করা হয়, একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ছবি তৈরি ও প্রচার করেছে, যাতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং গাজী জুয়েলের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা যায়। প্রতিবাদকারীদের দাবি, প্রচারিত ছবিগুলো বাস্তব কোনো ঘটনার নয়; বরং প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অপপ্রচারের অংশ হিসেবে ছড়ানো হয়েছে।
প্রতিবাদে আরও বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদ ও প্রচারিত ছবির পক্ষে কোনো আদালতের রায়, তদন্ত প্রতিবেদন বা নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও চরিত্র হননের উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এ ঘটনায় গাজী জুয়েল ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে। তার পক্ষে আইনজীবীর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ, এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভুয়া ছবি ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বানও জানানো হয়।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার করে ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও ভুয়া ছবি প্রচার গণমাধ্যমের নৈতিকতা ও আইনের পরিপন্থী। সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।






