নিখোঁজের ২ দিন পর জঙ্গল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার। নেপথ্যে পুলিশ ও সাংবাদিকদের যৌথ তৎপরতা
নিখোঁজের ২ দিন পর জঙ্গল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার।
নেপথ্যে পুলিশ ও সাংবাদিকদের যৌথ তৎপরতা
মো: মাসুদ খান (আকাশ)
নিখোঁজের ২ দিন পর মরদেহ উদ্ধার করেছে বাড্ডা থানা পুলিশ।
তারিখ: ২২ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখে নিখোঁজ হয় অলি উল্লাহ নামে এক যুবক।
পূর্ব বাড্ডার জোরা খাম্বা দিয়ে নামাপাড়ায় কলা বাগান থেকে অবশেষে অবসান হলো দীর্ঘ উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার। ৪৮ ঘন্টার অভিযান, রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়া রিকশা চালক মোঃ অলিউল্লাহ (২৫) নিথর দেহ উদ্ধার করেছে বাড্ডা থানা পুলিশ। নিখোঁজের রহস্য উদ্ঘাটন এবং লাশ উদ্ধারে স্থানীয় সংবাদকর্মী ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ বড় ভূমিকা পালন করেছে।
ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ হন অলিউল্লাহ (২৫)। পরদিন সকালে পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজের বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় সাংবাদিকরা কেবল সংবাদ পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি।
বরং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অংশ হিসেবে তারা অলিউল্লাহ নিখোঁজের সময়ের গতিপথ, শেষ যোগাযোগ এবং এলাকার অনুসন্ধান পর্যালোচনায় পুলিশকে সহায়তা করেন। অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে তাৎক্ষণিকভাবে বাড্ডা থানা পুলিশের ভুমিকা ও সাংবাদিকদের তৎপরতায়। মধ্যবাড্ডা বড়টেক সংলগ্ন নামা এলাকার গহীন জঙ্গলে অভিযান চালায়। অভিযান পরিচালনা করেন বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। প্রায় ২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর তল্লাশি শেষে গভীর জঙ্গলের একটি পরিত্যক্ত খাদের পাশ থেকে বালু চাপা দেয়া অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।
হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও এর সাথে কারা জড়িত এ নিয়ে কাজ করছে বাড্ডা থানা পুলিশ।
নিহতের পরিবার পুলিশ ও সাংবাদিকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। “সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী নজর আর পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ না থাকলে হয়তো পরিণতিও আমাদের কোনোদিন জানা হত না,
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই এই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উন্মোচন হবে।







