চাঁদপুরে প্রলোভন দেখিয়ে ৩ প্রবাসীকে সৌদি পাঠিয়ে ১৫ লাখ টাকা আত্মসাত, ২ দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
চাঁদপুরে প্রলোভন দেখিয়ে ৩ প্রবাসীকে সৌদি পাঠিয়ে ১৫ লাখ টাকা আত্মসাত, ২ দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
নিজস্ব প্রতিবেদক,
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ভিসা, আকামা ও ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে আলামিন, মোহাম্মদ রাকিব ও মোঃ মারুফ হোসেন নামে তিন অসহায় প্রবাসীকে সৌদি আরবে পাঠিয়ে মোট ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শাকিল হোসাইন ও তৌহিদুল ইসলাম নামে দুই দালালের বিরুদ্ধে। প্রতারণার শিকার হয়ে সৌদি আরবে চরম কর্মহীনতা, আকামাহীন অবৈধ জীবন এবং জেল-জরিমানার মুখোমুখি হচ্ছেন
অভিযুক্ত শাকিল হোসাইন ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১২ নং চরদুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর বিশকাঠালি গ্রামের (ওয়ার্ড নং ০২, হোল্ডিং নং ৭৫৪) মোঃ রফিক সৈয়াল (মোঃ কুদ্দুস ভুঁইয়া)-এর ছেলে। তার সাথে এই প্রতারণা চক্রে সমানভাবে জড়িত রয়েছেন আরেক দালাল তৌহিদুল ইসলাম।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শাকিল ও তৌহিদুল মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরি এবং বৈধ কাগজপত্রের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই তিন প্রবাসপ্রত্যাশীর কাছ থেকে মোট ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর তারা দেখেন চুক্তির সাথে বাস্তব কাজের কোনো মিল নেই। প্রতিশ্রুত বেতনের চেয়ে অনেক কম টাকা দেওয়া হচ্ছে এবং জোরপূর্বক ঝুঁকিপূর্ণ কাজে বাধ্য করা হচ্ছে। এই দুই দালালের অবহেলা ও প্রতারণায় আকামা বা বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সৌদির মাটিতে তারা অবৈধ হয়ে পড়েছেন। ফলে পুলিশি গ্রেপ্তার, জেল ও জরিমানার শিকার হতে হচ্ছে তাদের।
ভুক্তভোগী আলামিন, মোহাম্মদ রাকিব ও মোঃ মারুফ হোসেনের পরিবার জানায়, টাকা লেনদেনের ব্যাংক রসিদ, ভিডিও ও ছবিসহ সমস্ত তথ্যপ্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে।
প্রতারণার শিকার তিন প্রবাসীর পরিবার এখন নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তারা অবিলম্বে এই প্রতারণা চক্রের হোতা শাকিল হোসাইন ও তৌহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে তারা প্রবাসী কল্যাণ কর্তৃপক্ষ, ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।







