পল্লবীতে বহিস্কৃত যুবদল ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ৪০টি পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: ঘরবাড়ি দখল, লুটপাট ও চাঁদাবাজির অভিযোগ !
পল্লবীতে বহিস্কৃত যুবদল ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ৪০টি পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: ঘরবাড়ি দখল, লুটপাট ও চাঁদাবাজির অভিযোগ !
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় ৪০টি ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে এক মানববন্ধ ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বহিস্কৃত যুবদল ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঘরবাড়ি দখল, ব্যাপক লুটপাট, চাঁদাবাজি এবং মাদক ব্যবসার গুরুতর অভিযোগ উথাপন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং গণমাধ্যমের কাছে এই চরম অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন— পল্লবী থানা ৫ নং ওয়ার্ড যুবদলের (বহিস্কৃত) আহ্বায়ক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইব্রাহীম খলিল, একই কমিটির (বহিস্কৃত) সদস্য সচিব শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ রিয়াজ এবং পল্লবী থানা ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ফাইয়াজ (মুন্না)।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, অভিযুক্ত ইব্রাহীম খলিল, রিয়াজ এবং ফাইয়াজ মুন্না বিএনপির নাম ব্যবহার করে পল্লবী এলাকার সাধারণ মানুষের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তারা পল্লবী বাসীদের অন্তত ৪০টি পরিবারের বাড়িঘর এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ যাবতীয় মালামাল লুটপাট করেছে। তাদের অত্যাচারে পল্লবীবাসী আজ অতিষ্ঠ ও জিম্মি হয়ে পড়েছে।ওই যে শ্রম বিষয়ক বিএনপি পাশে মুন্না সে কিন্তু মাদক দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছিল ওই এলাকায় ।অভিযোগে আরও বলা হয়, এই সন্ত্রাসীরা মিথ্যা মামলাকে কেন্দ্র করে আসামি পরিবারদের অসংখ্য ঘরবাড়ি দখল ও লুটপাট করেছে। তারা ‘হযরত শাহ আলী এন্টারপ্রাইজ’ থেকে নতুন মোবাইল ফোন, টাকা ও মালামাল লুট করেছে। এছাড়া ‘বেনারসী শাড়ি সিল্ক হাউজ’ থেকে শাড়ি-ওড়না ও টাকা লুটসহ একটি অটো রিকশা গ্যারেজ থেকে ৬টি অটোগাড়ি জোরপূর্বক নিয়ে গেছে এবং বাসার সামনে থাকা ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের একটি রানার বোল্ট বাইক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিয়েছে।ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, তাদের একটি বাইক সেবা দোকান থেকে প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা ভাড়া জোরপূর্বক তুলে ইব্রাহীম খলিল, রিয়াজ ও মুন্না নিজেদের পকেটে ভরছে। এছাড়া তারা ভুক্তভোগী ও অসহায় মানুষদের দখলকৃত বাসায় প্রতিদিন দলবদ্ধ হয়ে নিয়মিত মাদক সেবন ও বিক্রির আখড়া বসিয়েছে। এদের হাত থেকে শিশু, বৃদ্ধ, মহিলা ও পুরুষ কেউ রেহাই পাচ্ছে না। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, “এই সন্ত্রাসীরা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাকে কেন্দ্র করে নানা কুৎসা রটাচ্ছে এবং আসামি পরিবারদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছে। চাঁদা না দিলে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি, হুমকি-ধমকি এমনকি প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তারা সাবেক আওয়ামী লীগের কিছু কর্মীকে সাথে নিয়ে আমাদের ওপর এই নির্মম নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। পল্লবী থানায় তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে এবং বর্তমানে ইব্রাহীম খলিল ও রিয়াজের নামে হত্যা মামলাও রয়েছে।” সংবাদ সম্মেলন থেকে বিএনপি, জামাত ও এনসিপিসহ সকল ঊর্ধ্বতন নেতাদের কাছে এই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দাবি জানানো হয়। একই সাথে পল্লবী থানার ডিসি, ওসিসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জানমালের নিরাপত্তা ও সহযোগিতার অনুরোধ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী এলাকা ও যোগাযোগের ঠিকানা: সেকশন ১১, ব্লক-বি, রোড-১২, ৩নং ওয়াপদা বিল্ডিং ও বাইন্দা ক্যাম্প (সাংবাদিক আবাসিক এলাকার পশ্চিম পাশে), পল্লবী, মিরপুর,







