রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আদভিকার শুভ জন্মদিন মক্কা আল-মুকাররমাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার ঘটনায় বিসিআরএসের তীব্র নিন্দা দেশের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ‘বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন’-এর বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত এসডিজি বাস্তবায়নে গতি বাড়িয়ে দারিদ্র্য ও বৈষম্য অবসানে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার দাবি মানবতার নিঃশব্দ পদচারণা: বাংলাদেশে ইতালীয়দের অবদান ও ঐতিহাসিক স্বীকৃতি শিক্ষায় বৈষম্য নিরসন প্রত্যাশী জোট গঠনের লক্ষ্যে আলোচনা সভা ‘জনগণের সেবা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’-দীপেন দেওয়ান ৯০’র গণঅভ্যুত্থান কিংবদন্তি ছাত্রনেতা শফি আহমেদ এর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত সার সংকটের সমাধান, কৃষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা-গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কাজী নজরুল ইসলামকে উদযাপন: সংস্কৃতি, সাহিত্য ও বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের এক অনন্য সন্ধ্যা

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১৩৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তৈরি হওয়া অস্থিরতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ওপর উচ্চ নির্ভরশীলতা এবং জ্বালানির দামের ওঠানামার প্রতি অর্থনীতির সংবেদনশীলতার কারণে বাংলাদেশকে জ্বালানি সাশ্রয়ের পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) ইলেকট্রিসিটি মিড-ইয়ার আপডেট ২০২৬ প্রতিবেদনে এ মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো উদীয়মান অর্থনীতিগুলো এলএনজি আমদানির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় এসব দেশ সরাসরি সংকটে পড়েছে।

জ্বালানির সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং উচ্চমূল্যের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ নেওয়ায় বিদ্যুৎ ব্যবহারও কমেছে।
আইইএর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ কয়েক মাস ধরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে অস্থির করে রেখেছে। এর ফলে বাংলাদেশকে আগের তুলনায় বেশি দামে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে।

সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এ পরিস্থিতির কারণে চলতি বছরও দেশের বিদ্যুতের চাহিদা চাপের মধ্যে থাকতে পারে।

অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে বিদ্যুতের চাহিদা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। শিল্প উৎপাদনের সম্প্রসারণ, বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বৃদ্ধি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের চাহিদা এবং ডেটা সেন্টারের দ্রুত বিস্তার এ প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি।

আইইএর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বে বিদ্যুতের চাহিদা ৩.৬ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩.৮ শতাংশ বাড়বে। ২০২৫ সালে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ শতাংশ।

এর ফলে ২০২৭ সালে বিশ্বে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহার বেড়ে ৩০ হাজার ৭০০ টেরাওয়াট-ঘণ্টায় পৌঁছাবে, যা ২০২৫ সালে ছিল ২৮ হাজার ৬০০ টেরাওয়াট-ঘণ্টা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি পরিবহনে বিঘ্ন ঘটার পর এশিয়া ও ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ২০২২-২৩ সালের জ্বালানি সংকটের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে এবং কয়েকটি দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জরুরি ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। যদিও উত্তর আমেরিকা থেকে অতিরিক্ত এলএনজি সরবরাহ বাজারের চাপ কিছুটা কমিয়েছে, তবু গ্যাসের উচ্চমূল্যের কারণে এশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে আইইএ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives