বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার যশোরে পুলিশ শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস নয়, সংস্কার করা হবে : জেলা পুলিশ জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ আদিবাসী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে OMS ডিলার নিয়োগে অনিয়ম: চাল-আটা নিয়ে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ পরিবর্তনশীল রাজনীতি ও ক্ষমতার সমীকরণ কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু ৩০০টি সিগারেটের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ গাছ কাটা হয়। ​ ঢাকায় গুলশানে ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৩তম SAPE ‘স্টাডি ইন ইন্ডিয়া’ এডুকেশন ফেয়ার, ঢাকা সৃজনশীল অর্থনীতি বিষয়ক জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি গঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে OMS ডিলার নিয়োগে অনিয়ম: চাল-আটা নিয়ে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ

‎স্টাফ রিপোর্টারঃ / ৪৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় সরকারি খোলা বাজারে পণ্য বিক্রি OMS কার্যক্রমে চরম অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। ডিলার নিয়োগ থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে পণ্য বিতরণ সবখানেই লঙ্ঘিত হচ্ছে সরকারি নিয়ম। ফলে ন্যায্যমূল্যের চাল ও আটা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্যমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদরে সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে OMS ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে। সরকারি আইন পরিপন্থীভাবে মাত্র একটি চালানের বিপরীতে চারজন ডিলারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট খাদ্য পরিদর্শকের উপস্থিতি ছাড়াই ডিলাররা নিজেদের ইচ্ছেমতো মালামাল বিক্রি শুরু করেছেন। ফলে পুরো বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো জবাবদিহিতা নেই।

‎OMS-এর নিয়ম অনুযায়ী পণ্য কিনতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে অনেক দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ অসচেতনতার কারণে ভোটার আইডি কার্ড ছাড়া আটা-চাল নিতে এসে খালি হাতে ফিরছেন।
‎প্রচারণার অভাব এবং ডিলারদের খামখেয়ালিপনার কারণে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্ষুধার্ত মানুষগুলো চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী OMS কার্ডধারী বা সাধারণ মানুষের মাথাপিছু ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা পাওয়ার কথা। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র।

ডিলাররা OMS-এর সরকারি নীতিমালা তোয়াক্কা না করে গ্রাহকদের মাত্র ৩ কেজি করে চাল দিচ্ছেন। সবচেয়ে বড় অনিয়ম হচ্ছে, কোনো গ্রাহক আটা নিলে তাকে চাল দেওয়া হচ্ছে না, আর চাল নিলে আটা দেওয়া হচ্ছে না। ডিলারদের এমন মনগড়া নিয়মে OMS-এর মূল উদ্দেশ্যই ভেস্তে যেতে বসেছে।

এসব গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।কর্মকর্তাদের এমন রহস্যজনক নীরবতায় সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বঞ্চিত এলাকাবাসী এই দুর্নীতির দ্রুত সমাধান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরাসরি খাদ্য মন্ত্রণালয় ও মাননীয় খাদ্যমন্ত্রীর জরুরি সহযোগিতা দাবি করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives