এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ জোটের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
আহবায়ক- অধ্যক্ষ মোঃ মাঈন উদ্দীন,
সদস্য সচিব – মোঃ জসিম উদ্দিন আহমদ
প্রধান সমন্বয়কারী- উপাধ্যক্ষ মো:আবদুর রহমান
শিক্ষায় বৈষম্যরসনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা এনে দিবে জাতীয়করণ বেসরকারি বা এমপিভক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি সমূহ পূরণে বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ৫৫ থেকে ৫৬ বছর ধরেই শিক্ষক কর্মচারীদেরকে রাজপথে নেমে আন্দোলন করেই বিভিন্ন দাবি পূরণ করতে হয়েছে, দুঃখজনক হলেও সত্য বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীগণ
এখোনো পায় বাড়ি ভাড়া ১৫ পার্সেন্ট, উৎসব ভাতা ৫০ পার্সেন্ট এবং চিকিৎসা ভাতা মাত্র ৫০০ টাকা যা খুবই অপ্রতুল। শিক্ষকদেরকে এ ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে শিক্ষায় কতটুকু গুণগত পরিবর্তন হবে তার প্রশ্ন থেকেই যায় তাছাড়া সরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের সাথে বৈষম্য এখনো এখনো প্রকট ।
এই বৈষম্য নিরসনের সহজ পথ এমপি ভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ , এ সময় শিক্ষক কর্মচারীগণ বর্তমান সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে চায় তার কারণ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের কে ৫০% বেতন দিয়ে জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করে সম্মানিত করেছেন, কল্যাণ ট্রাস্টের গতিশীলতা সহ অবসর সুবিধা বোর্ড সৃষ্টি করেছেন, শিক্ষকদেরকে ২৫% পার্সেন্ট এবং কর্মচারীদের কে ৫০% উৎসব ভাতা দিয়েছেন এনটিআরসি এর প্রতিষ্ঠা করা সহ নানাবিধ কল্যাণ কাজ করার প্রতিশ্রুতি গত ১৭ থেকে ২০ বছর ধরে বলে আসছেন বিশেষত বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম এ মাসেই শুরু করবেন এবং অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানের ভাইভা কার্যক্রম সম্পাদন করবেন।
বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী মধ্যে ১০% উৎসব ভাতা ঘোষণা করেও এখনো বাস্তবায়ন করতে পারেননি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এদেশের শিক্ষক সমাজ মনে করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে জমা নিলে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন কাঠামো সংস্কার শিক্ষা স্থায়ী কমিটির সভাপতি সহ এ দেশের এদেশের প্রথিতযশা শিক্ষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সভা আহ্বান করে আলোচনার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ বা শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ অনায়াসেই করতে পারবেন তাছাড়া বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ করতে ২০১০ সালের ১২ই মে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওয়াদা করেছিলেন ,আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ২০২৪ সালের ৭ অক্টোব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিক্ষক সমাবেশে বেসরকারি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি সমূহ পূরণের ওয়াদা সহ চাকরি জাতীয়করণের ঘোষণা দেন উল্লেখ্য আজকের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিএনপির সাবেক অনেক মন্ত্রী এমপি গত নির্বাচনের পূর্বে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের আশ্বাস দিয়েছিলেন তাই আজকে প্রায় ১২ থেকে ১৫ টি সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিক্ষার বৈষম্যনিরেশন প্রত্যাশী জোট গঠন করে সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষার বৈষম্যের সমাধানসহ চাকরি জাতীয়করণের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংগঠনের নাম: এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ জোট ঘোষণা করা হয়-
আহবায়ক- অধ্যক্ষ মোঃ মাঈন উদ্দীন, সদস্য সচিব – মোঃ জসিম উদ্দিন আহমদ এবং প্রধান সমন্বয়কারী- উপাধ্যক্ষ মো:আবদুর রহমান এর নাম ঘোষণা করা হয়।
জোটভুক্ত সকল সংগঠনের সভাপতি জোটে যুগ্ম আহবায়ক ও মহাসচিব / সাধারণ সম্পাদকগণ জোটে যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে কাজ করবেন। তাছাড়া জোটের বিভিন্ন সংগঠনের অপরাপর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ জোটে সম্মানিত সদস্য হিসেবে যুক্ত থাকবেন। প্রয়োজনে এতদ্ বিষয়ে জোটের পরবর্তী সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।







