কঠোর ভাবে মব জাস্টিস প্রতিরোধের আহ্বান ৮০-৯০ দশক ছাত্রনেতাদের
স্বাধীনতা বিরোধী মৌলবাদী চক্র দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিকল্পিত ভাবে মব কালচার প্রতিষ্ঠার পায়তারা করছে। এরই ধারাবহিকতায় মিরপুর শাহআলী মাজারে হামলা চালানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ভিডিও ফুটেজে হামলার ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের পরিস্কার সম্পৃক্ততা দেখা গিয়েছে। দেশের নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারকে বিব্রত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ন্যায় এখনো এই গুপ্ত মব জাস্টিস চালিয়ে যাচ্ছে। এদেরকে কোন ভাবে ছাড় দেয়া যাবে না। কঠোর ভাবে এদের দমন করতে হবে, আইনের আওতায় আনতে হবে। ১৬ ও ১৭ মে ২০২৬ইং দুই দিন ব্যাপী রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ ভাসানী ভবনের তৃতীয় তলায় ৮০-৯০ দশক ছাত্র মুভমেন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির বর্ধিত সভায় নেতৃবৃন্দ এ আহ্বান জানান।
৮০-৯০ দশক ছাত্র মুভমেন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আলী আকবর চুন্নুর সভাপতিত্বে ও ৮০-৯০ দশক ছাত্র মুভমেন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি এম. এ. হাশেম রাজুর সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ঈদুল আযহার পর সারাদেশে সাংগঠনিক বিভাগ ও জেলা সমূহে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সফর, সভা, সেমিনার আয়োজন করে মব কালচার প্রতিহত করতে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় প্রফেসর ড. সামসুদ্দিন, ফারুক আহমেদ, এড. ড. শাহ আলম, ড. কবির আহমেদ ফারসি, শরীফ হোসেন, এস এম ইকবাল হোসেন, শেখ মোঃ কবির আহমেদ, প্রফেসর ড. নবী নেওয়াজ, প্রফেসর ড. ফজলে কাদের সোহেল, নাহিদা পারভীন মুক্তি, এস. এম. মনিরুজ্জামান, এড. মাহবুব হোসেন, ব্যাংকার শিরিন সুলতানা, মোছাঃ লাভলী বেগম, রফিকুল ইসলাম রফিক, সামসুদ্দিন ভূঁইয়া, রফিকুল ইসলাম খান ভিপি মাসুম, ভিপি আব্দুর রউফ, মোর্শেদুল আলম চৌধুরী মুন্না, জয়নাল আবেদিন, আব্দুল কাদের শিকদার, কামরুল ইসলাম মজুমদার কামাল, তারেক আহমেদ চৌধুরী বিপু প্রমুখ।







