সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাহাড়ে জুমের গন্ধ, মেঘের বসতি এবং একটি আত্মপরিচয়ের লড়াই ছন্দ সেন চাকমা যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে বিজয়ী কাউন্সিলর রানা রহমানকে অভিনন্দন ​সমন্বিত পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ছাড়া বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন অসম্ভব: জাতীয় প্রেস ক্লাবে মতবিনিময় সভা তামাক পণ্যের দাম বৃদ্ধির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন আমানতের আর্তনাদ কঠোর ভাবে মব জাস্টিস প্রতিরোধের আহ্বান ৮০-৯০ দশক ছাত্রনেতাদের রাজস্ব আয়ের খাত নয় টেলিযোগাযোগকে সেবার খাত হিসেবে দেখার আহ্বান টিক্যাবের তেজগাঁও কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের আংশিক কমিটি গঠন ​শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সেমিনার অনুষ্ঠিত শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলেই দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হবে মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ

রাজস্ব আয়ের খাত নয় টেলিযোগাযোগকে সেবার খাত হিসেবে দেখার আহ্বান টিক্যাবের

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ / ৫ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

অতীতের জনবিচ্ছিন্ন সরকারগুলোর ন্যায় শুধু রাজস্ব আদায়ের জন্য নয় টেলিযোগাযোগ খাতকে সেবার খাত হিসেবে বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব)। বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান টিক্যাব সভাপতি মুর্শিদুল হক (বিদ্যুৎ)।

বিবৃতিতে টিক্যাব সভাপতি বলেন, মুঠোফোন বা মোবাইল ফোন এখন সকল শ্রেণি—পেশার মানুষের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও কথা না বলে থাকার কথা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা থেকে ব্যক্তিগত পর্যায় সবখানেই মুঠোফোনের ব্যবহার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো পাল্লা দিয়ে ইন্টারনেট ও টকটাইম প্যাকেজের দাম বাড়িয়ে চলায় গ্রাহকরা মুঠোফোন প্যাকেজের খরচ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। ৫ সদস্যের একটি পরিবার স্বামী, স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, বাবা—মা সকলে মিলে কমপক্ষে ৪—৫টি মোবাইল ফোন অপারেট করেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই মোবাইল ফোনগুলোর ব্যয়ভার নির্বাহ করছেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি। বাজারে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস, সবজি, জ্বালানি তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি পেলে যেমন তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন মুঠোফোন ব্যবহারের ব্যয় বাড়ায় তিনি একই ভাবে চিন্তিত হয়ে পড়ছেন। ভুলে গেলে চলবে না দেশে সচল প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি সিমের সিংহভাগ গ্রাহকই কিন্তু নিম্নবিত্ত। জীবনযুদ্ধে টিকে থাকতে রক্ত—ঘামে উপার্জিত প্রতিটি টাকা তাদেরকে অত্যন্ত হিসাব কষে ব্যয় করতে হয়।

তিনি আরো বলেন, মুঠোফোন সেবা থেকে মোবাইল অপারেটরগুলো গ্রাহকদের কাছ থেকে যে আয় করে তার ১০০ টাকার মধ্যে ৫৬ টাকাই সরকার কর ও ফি বাবদ নিয়ে নেয়। অতীতের সরকারগুলো টেলিযোগাযোগকে নির্ভিঘ্নে রাজস্ব আয়ের একটি বড় খাতে পরিণত করেছে। বিগত দুই দশকের জনবিচ্ছিন্ন সরকারগুলোও মুঠোফোন সেবার দাম কমানো এবং মানোন্নয়নে জোর না দিয়ে রাজস্ব আদায়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। বাংলাদেশে মুঠোফোন সেবার ৫৬ শতাংশ সরকারি তহবিলে দিতে হলেও এর বৈশ্বিক হার ২২ শতাংশ আর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ২৫ শতাংশ। আমরা সরকারকে আহ্বান করবো, সরকার যেন আগামী বাজেটে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশেও রাজস্ব আদায় নয় মুঠোফোন সেবার মানোন্নয়নে ব্যাপক জোর দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives