ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতা করে থাকলে,তাঁকেই কেন সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়?
ঐতিহাসিক তথ্য, প্রমাণ ও প্রচলিত বিতর্কের নিরপেক্ষ পর্যালোচনা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ, রাজনৈতিক চেতনা, সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় এবং সামাজিক পরিবর্তনের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯২১ সালে যাত্রা শুরু করা এই বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তী সময়ে ভাষা আন্দোলন, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ফলে এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম-ইতিহাস নিয়ে আলোচনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই ইতিহাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ঘটনাবলির যথার্থ মূল্যায়নও জরুরি।
দুঃখজনকভাবে, বাংলা সংস্কৃতির আগ্রাসন স্বরুপ বর্তমানে একটি গ্রুপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ঘিরে একটি বিতর্ক বারবার সামনে আনছে। দাবি করা হয়, তিনি নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন এবং ১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতার গড়ের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত একটি সভায় সভাপতিত্ব করেছিলেন।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক দলিল কোথায়? কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন একটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপনের ক্ষেত্রে কি কেবল কোনো বইয়ে লেখা বক্তব্য অথবা পরবর্তী সময়ে প্রচারিত কোনো বিবরণই যথেষ্ট? নাকি প্রয়োজন সমসাময়িক সংবাদপত্র, ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, দিনলিপি, সরকারি নথি এবং অন্যান্য প্রামাণ্য উপাদানের সমন্বিত পর্যালোচনা? আমার বিবেচনায়, ইতিহাসের প্রশ্নে আবেগ নয়, প্রমাণই হওয়া উচিত চূড়ান্ত বিবেচ্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের পেছনে ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গের রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত বাস্তবতা। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ এবং ১৯১১ সালে তা রদের পর পূর্ববঙ্গের মানুষের মধ্যে, বিশেষত মুসলিম সমাজের একাংশের মধ্যে, শিক্ষাগত ও প্রশাসনিক সুযোগ নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি গুরুত্ব পায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ, নওয়াব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী এবং শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকসহ একটি প্রতিনিধিদল তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপন করে। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি সরকার ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশের সিদ্ধান্ত জানায়। একই বছরের ২৭ মে স্যার রবার্ট নাথানিয়েলকে প্রধান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়।
এই তথ্যগুলো থেকে স্পষ্ট হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের সঙ্গে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যুক্ত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পূর্ববঙ্গের মুসলিম নেতাদের ভূমিকা তাই যথাযথ স্বীকৃতির দাবি রাখে।
কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানের পেছনে একদল নেতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকার অর্থ এই নয় যে, সেই সময়ের অন্য কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে প্রমাণ ছাড়া বিরোধিতার অভিযোগ আরোপ করা যাবে। ইতিহাসে প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা নির্ধারণ করতে হয় তাঁর নিজের বক্তব্য, কর্মকাণ্ড এবং নির্ভরযোগ্য দলিলের ভিত্তিতে।
২৮ মার্চ ১৯১২: গড়ের মাঠের সভা ও রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতির প্রশ্ন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন—এই অভিযোগের আলোচনায় ১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতার গড়ের মাঠে অনুষ্ঠিত কথিত বিরোধী সভাটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। অভিযোগটির একটি বহুল প্রচারিত রূপ হলো, রবীন্দ্রনাথ ওই সভায় সভাপতিত্ব করেছিলেন।
কিন্তু এই দাবির বিপরীতে রবীন্দ্রনাথের জীবন ও কর্মকাণ্ড নিয়ে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯১২ সালের ২৮ মার্চ তিনি কলকাতায় নয়, কুষ্টিয়ার শিলাইদহে অবস্থান করছিলেন। তাঁর সে সময়ের অবস্থান, রচনা এবং জীবনপঞ্জি-সংক্রান্ত তথ্য এই অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন: কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার অস্তিত্ব এবং সেই ঘটনায় নির্দিষ্ট ব্যক্তির অংশগ্রহণ—দুটি আলাদা প্রশ্ন। কলকাতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতায় সভা হয়ে থাকলেও, তার অর্থ এই নয় যে রবীন্দ্রনাথও তাতে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর সভাপতিত্ব করার অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করতে হলে সেই উপস্থিতির পক্ষে স্বতন্ত্র ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন।
এখন পর্যন্ত আলোচিত গবেষণামূলক লেখাগুলোতে এই অভিযোগের পক্ষে এমন কোনো নির্ভরযোগ্য সমসাময়িক দলিল হাজির করা হয়নি, যা দিয়ে রবীন্দ্রনাথের অংশগ্রহণ নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করা যায়। বরং তাঁর শিলাইদহে অবস্থানের তথ্য এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
অতএব, প্রমাণের অভাবে একটি অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে প্রচার করা দায়িত্বশীল ইতিহাসচর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিরোধিতা করেছিলেন কারা?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তৎকালীন কলকাতার কিছু প্রভাবশালী মহলে বিরোধিতার মুখে পড়েছিল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ব্যারিস্টার রাসবিহারী ঘোষের মতো ব্যক্তিদের অবস্থান নিয়ে ঐতিহাসিক আলোচনায় বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতার পেছনে প্রশাসনিক কর্তৃত্ব, উচ্চশিক্ষার কাঠামো, কলকাতাকেন্দ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ এবং তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এসব বিষয় বিশ্লেষণ না করে বিরোধিতার পুরো ঘটনাকে একজন কবি বা একটি সম্প্রদায়ের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ইতিহাসের জটিলতাকে অস্বীকার করার শামিল।
বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথের ক্ষেত্রে তাঁর ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে তাঁর সমসাময়িক রচনা, চিঠিপত্র, অবস্থান এবং প্রামাণ্য জীবনপঞ্জি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। অন্যদের বিরোধিতার তথ্য থেকে তাঁর বিরোধিতা অনুমান করা যায় না।
১৯২৬ সালের ঢাকা সফর: বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণ ও সংবর্ধনা
এবার আসা যাক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক প্রসঙ্গে। রবীন্দ্রনাথ যদি সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে থাকেন, তাহলে সেই অভিযোগের সঙ্গে ১৯২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ককে কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে?
১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রবীন্দ্রনাথ ঢাকা সফরে আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছ থেকে আন্তরিক অভ্যর্থনা লাভ করেন। কার্জন হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সংবর্ধনা তাঁর সফরের উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল।
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত মুসলিম শিক্ষার্থীরাও তাঁকে সংবর্ধনা দিয়েছিলেন। অর্থাৎ তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন কেবল কোনো একটি ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরিসরে তাঁর সাহিত্যিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মর্যাদা স্বীকৃতি পেয়েছিল।
তবে সংবর্ধনা পাওয়া একাই ১৯১২ সালের কোনো ঘটনার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। ইতিহাসে পরবর্তী কোনো সম্মানকে আগের অভিযোগ খণ্ডনের একমাত্র ভিত্তি করা যায় না। বরং ১৯২৬ সালের সফর, সমসাময়িক আমন্ত্রণপত্র, কর্মসূচি ও অন্যান্য দলিলকে ১৯১২ সালের অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে থাকা তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়।
এই সমন্বিত পর্যালোচনাই দেখায়, রবীন্দ্রনাথকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়বিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য যে ধরনের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন, তা অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
১৯৩৬ সালের সম্মানসূচক ডি-লিট: প্রশ্নটি এখানেই
১৯৩৬ সালের ২৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার বা ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কবি ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি বলে প্রকাশিত ঐতিহাসিক বিবরণে উল্লেখ রয়েছে।
প্রশ্ন উঠতেই পারে—যদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতায় তাঁর ভূমিকার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকত, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁর সাহিত্যিক অবদান ও সামগ্রিক মনীষার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান প্রদানের সিদ্ধান্ত কীভাবে নিল?
এখানে এটিও মনে রাখা জরুরি যে, সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানের সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত; কোনো একজন ব্যক্তির একক সিদ্ধান্ত নয়। ফলে এই সম্মানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে দেখতে হবে।
রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, দর্শন, মানবতাবাদ এবং বিশ্বসাহিত্যে অবদান তাঁর এই স্বীকৃতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল। তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য তাই শুধু পরবর্তী সম্মান নয়, অভিযোগের মূল উৎস ও প্রমাণের মানও বিচার করতে হবে।
ইতিহাসের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় পূর্ববঙ্গের মুসলিম নেতৃত্বের অবদান খাটো করার কোনো প্রয়োজন নেই। একইভাবে সেই নেতাদের যথাযথ সম্মান জানাতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে অপ্রমাণিত অভিযোগ প্রচারেরও কোনো যৌক্তিকতা নেই।
ইতিহাস কোনো প্রতিযোগিতা নয়, যেখানে একজনের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে অন্যজনকে হেয় করতে হবে। নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ, নওয়াব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী ও শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের অবদান যেমন স্বীকৃত হওয়া উচিত, তেমনি রবীন্দ্রনাথের প্রকৃত ভূমিকা সম্পর্কেও সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত প্রমাণের ভিত্তিতে।
একটি জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিপক্বতার পরিচয় হলো—সে নিজের ইতিহাসের গৌরব যেমন ধারণ করে, তেমনি বিতর্কিত ঘটনাকেও নির্মোহভাবে যাচাই করে।
আমার বক্তব্য স্পষ্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিরোধিতার অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে গ্রহণ করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ দেখানো প্রয়োজন। প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগকে ইতিহাসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পরিণত করা উচিত নয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের সবার গৌরবের প্রতিষ্ঠান। এর ইতিহাসকে সত্য, তথ্য ও যুক্তির আলোয় বিচার করাই হোক আমাদের দায়িত্ব।
গৌতম কুমার এদবর
সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী







