গাছ সংরক্ষণে করণীয় বিষয়ক কর্মসূচির আয়োজন-খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার
আজ ২৭ জুলাই (সোমবার) বিকেলে খোয়াই নদী তীরে এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভারসিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।
খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেলের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উদীচী জেলা শাখার সাবেক সভাপতি আজমান আহমেদ, তানভীর আহমেদ, গাছ মামা হিসেবে পরিচিত মো: রায়হান, সাইফুল ইসলাম, মো: নাছিরসহ নদী তীরবর্তী এলাকাবাসী।

প্রধান অতিথি মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, গাছ রোপনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই গাছের পরিচর্যা করা। গাছগুলো টিকে আছে কিনা তা দেখভাল করা। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতার সাথে অভিযোজনের সহজ পন্থা হচ্ছে বেশি করে গাছ লাগানো। তবে তা হতে হবে পরিকল্পিত। আমাদের পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ গাছ লাগানো উচিত। আমরা দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। পাশাপাশি এখন থেকে নিয়মিত ভাবে দেখভাল করবো সে গাছগুলো টিকে আছে কিনা।
খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল বলেন,
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।
গাছ শুধু রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না, লাগানো চারা যেন সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে সেজন্য নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ জরুরি।
খোয়াই নদী অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় পতিত হয়েছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নদীতে বান দেখা দেয়, নদীতীরে ভেঙে জান, মাল ও ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হয়। নদীতীরকে প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে হবে। এজন্য তীরে গাছ লাগিয়ে সবুজায়ন করতে হবে। পরিকল্পিতভাবে যতবেশি গাছ লাগানো হবে নদীতীর ততবেশি সুরক্ষিত থাকবে। নদীতীরে রোপিত গাছ সংরক্ষণে যত্নশীল হওয়ার জন্য খোয়াই নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
গাছ মামা মো: রায়হান বলেন, গাছ আমাদের পরম বন্ধু। আমাদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে গাছের যত্ন করতে হবে, গাছকে ভালোবাসতে হবে।এসময় নদীতীরে তালগাছ রোপণ করা হয়।







