রত্নগর্ভা আছিয়া খাতুন ও বেলায়েত হোসেন এর স্মরনসভা অনুষ্ঠিত
অভিভাবক ঐক্য ফোরাম এর সহসভাপতি মো: বেলায়েত হোসেন এবং ফোরাম এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিয়াউল কবির দুলু’র মা রত্নগর্ভা আছিয়া খাতুন এর স্মরনে আজ ১৩ আগষ্ট বৃহস্পতিবার বিকালে মতিঝিল কিচেন ইয়ার্ড চায়নিজ ও পার্টি সেন্টার ভিআইপি রুমে স্মরনসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অভিভাবক ফোরাম, ঢাকা। এতে সভাপতিত্ব করেন আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অভিভাবক ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অভিভাবক ঐক্য ফোরাম এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিয়াউল কবির দুলু।
স্মরনসভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃওিকা বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর শওকত উল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ আবদুর রব হাওলাদার, সোনালী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার জাকির হোসেন খান, বাংলাদেশ মুক্তি যোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের প্রাক্তন সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ বি এম সুলতান আহমদ, অভিভাবক ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মো: সেলিম উদ্দীন, আইডিয়াল স্কুল অভিভাবক ফোরাম মুগদা ক্যাম্পাসের সাবেক সভাপতি শওগত উল আলম, অভিভাবক ঐক্য ফোরাম এর সাধারন সম্পাদক ও ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক মো:সেলিম মিয়া,আইডিয়াল স্কল অ্যান্ড কলেজ অভিভাবক ফোরাম এর সাবেক সাধারন সম্পাদক আলহাজ মো: রোস্তুম আলী,অভিভাবক ফোরাম এর মুগদা শাখার আহবায়ক আ স ম আলমগীর, যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মো: মিজানুর রহমান, আইডিয়াল স্কুলের ( শিক্ষার উন্নয়নের দাবিতে) কারাবন্দী নেএী মিসেস শ্যামলী শিমু প্রমুখ।
বক্তারা শিক্ষা ক্ষেত্রে অসংগতি নিরসনে, শিক্ষা বানিজ্য বন্ধ করনে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম- দূর্নীতি অবসানের জন্য বেলায়েত হোসেন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত ও মান উন্নয়নের আন্দোলনে তিনি প্রথম সারিতে ছিলেন। ভয়ভীতি মামলা মোকদ্দমা উপেক্ষা করে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। শিক্ষকদের কোচিং বানিজ্য বন্ধসহ শিক্ষার্থী ভর্তি ও টিউশন ফি নীতিমালা বাস্তবায়ন আন্দোলনে তাঁর অপরিসীম চেষ্টা ছিল। শিক্ষা বানিজ্য বন্ধ ও অসংগতি নিরসন হলেই সত্যিকার অর্থেই বেলায়েত হোসেন এর প্রতি সন্মান প্রদর্শন করা হবে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। রত্নগর্ভা আছিয়া খাতুন এর স্মৃতি চারনে বক্তারা বলেন, আছিয়া খাতুনের সন্তানরা সরকারি বৃওি মেধাবী হওয়ায় ততকালীন আইয়ুব খান সরকার তাকে ( মা হিসেবে) বৃওি দিয়েছিলেন এবং তাঁর চারটি ছেলেকে এ দেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তি যুদ্ধে পাঠায়েছেন। একজন মা তাঁর বুকের ধন চারটি সন্তানকে দেশের জন্য উৎসর্গ করতে দ্বিধা করেন নি। এজন্য পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের বসতভিটা আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয় তাদের একজন কয়েক হাজার মাইল দূরে গিয়ে প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতার জন্যই যুদ্ধ করেন।এগুলো মায়ের রক্তেরই অর্জন।
সভার প্রারম্ভে দাড়িয়ে একমিনিট নীরবতার মাধ্যমে তাদের প্রতি সন্মান জানানো হয়। সভাশেষে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন বিসমিল্লাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা সাইফুল ইসলাম।







