মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও গ্যাস সংকট নিরসনে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে বাংলাদেশে নারী ও কন্যা নির্যাতন চিত্র-২০২৫ সমীক্ষা প্রতিবেদন বিষয়ক সংবাদ-সম্মেলন অনুষ্ঠিত দীর্ঘ সক্ষমতা নিয়ে আলোচনায় রিয়েলমি সি১০০আইয়ের টাইটান ব্যাটারি নান্দনিক শিক্ষাদর্শন, প্রগতিশীল নারীত্ব ও অন্ধ রক্ষণশীলতার দ্বন্দ্ব বিএনপি ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মাসব্যাপী জলাশয় পরিচ্ছন্ন, মশার স্প্রে, কয়েল ও ডেঙ্গু লিফলেট বিতরণ গাছ সংরক্ষণে করণীয় বিষয়ক কর্মসূচির আয়োজন-খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার চলতে বছরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর সংহিসতার তথ্য প্রকাশে ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিচার ও আইনি সুরক্ষা: সংবিধানের ৫১(১) অনুচ্ছেদ কি অপরাধের চিরস্থায়ী লাইসেন্স? বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর ৬টি বিতরণ অঞ্চল বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

চলতে বছরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর সংহিসতার তথ্য প্রকাশে ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৩৪ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার তথ্য প্রকাশ
সহিংসতা গণআক্রমণ থেকে লক্ষ্যভিত্তিক নির্যাতনে রূপান্তরিত হয়েছে

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন অর্থাৎ বিগত ৬ মাসে সারা দেশে ২৫৭টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা (আংশিক) ঘটার তথ্য আজ সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে| এর মধ্যে ৪০টি ঘটনায় হত্যার শিকার ৪৪ জন; নারী নির্যাতন/ধর্ষণ/গণধর্ষণ ৫টি; অপহরণ/চাঁদা দাবি/নির্যাতন ১০টি; হামলা/হত্যার হুমকি/নির্যাতন ৪২টি; উপাসনালয়ে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ ৬২টি; উপাসনালয়ের জমি দখল/দখলের চেষ্টা ১৫টি; বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ ৪৭টি; কথিত ধর্মঅবমাননার অভিযোগে গ্রেফতার ও নির্যাতন ৯টি; জোরপূর্বক বাড়িঘর, জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল ২১টি; অন্যান্য ৬টি|

সংবাদ সম্মেলনে বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৩১ ডিসেম্বর- এ ৫ মাস, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর- এ ১২ মাস এবং চলতি বছরের প্রথম ৬ মাস- এ ২৩ মাসের তুলনামূলক চিত্র সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরে বলা হয়, এ সময়ে সংঘটিত মোট ২৯৬৩টি ঘটনার ৭৩.৭% সংঘটিত হয়েছে ৫ আগস্ট পরবর্তী ৫ মাসে| এ সময়কালটি ছিল ব্যাপক আকারের গণসহিংসতার পর্যায়| হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বসতবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় স্থাপনা| ২০২৫ সালে সংঘটিত হয়েছে মোট ঘটনার ১৭.৬%| ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে সংঘটিত হয়েছে মোট ঘটনার ৮.৭%| ২০২৪ সালের সহিংসতার মাত্রা ২০২৫ সালের তুলনায় প্রায় ৪.২ গুন বেশি ছিল| মোট সহিসংতার প্রায় ৭০% ছিল বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা; প্রায় ১০% ঘটনা ধর্মীয় উপাসনালয়কে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়েছে; প্রতি ২১টি ঘটনায় গড়ে ১ জন মানুষ নিহত হয়েছে; প্রতি ১০টি ঘটনার মধ্যে প্রায় ১টি ধর্মীয় স্থাপনার উপর হামলা ছিল|

সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের ১২ মাস এবং ২০২৬ সালের প্রথম ৬ মাসের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার চালচিত্র তুলে ধরে বলা হয়, সহিংসতার ঘটনা প্রায় একই রকম রয়েছে| এর মধ্যে তুলনামূলকভাবে ২০২৬ সালে হত্যার শিকার; উপাসনালয়ে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ; হামলা/হত্যার হুমকি/নির্যাতন; উপাসনালয়ের জমি দখল/দখলের চেষ্টা ২০২৫ সালের চেয়ে বেশি| ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের ঘটনার চালচিত্র তুলে ধরে তুলনামূলক পর্যালোচনায় বলা হয়, মোট ঘটনার সংখ্য্যা পরবর্তী ১৮ মাসে কমলেও হত্যাকাণ্ড, নারী নির্যাতন, সম্পত্তি দখল এবং ধর্মঅবমাননার অভিযোগে হয়রানীর ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে অর্থাৎ সহিংসতা গণআক্রমণ থেকে লক্ষ্যভিত্তিক নির্যাতনে রূপান্তরিত হয়েছে| এটি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার জন্যে একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়| ২০২৬ সালের প্রথম ৬ মাসের তথ্যে দেখা যায় যে, সহিংসতার সামগ্রিক সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও প্রাণহানি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলার হার উদ্বেগজনকভাবে অব্যাহত রয়েছে| ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উপাসনার অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত হানা হয়েছে এ সময়| এসব ঘটনা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব ও নিরাপত্তার জন্যে দীর্ঘমেয়াদী হুমকি| ২০২৬ সালে প্রতিমাসে গড়ে হত্যা, উপাসনালয়ে হামলা হার ২০২৫ সালের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে| সম্পত্তি দখলের হার কিছুটা কমলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি| বিগত ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত মোট ২৩ মাসে ২০৫৫টি ঘটনায় বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে| এর ফলে বহু পরিবার জীবিকা হারিয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সংকটে পড়েছে| সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ স্থানান্তর ও বাস্তুচ্যুতি বৃদ্ধি পেয়েছে, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে, সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাস বৃদ্ধি পেয়েছে, ধর্মীয় সম্প্রীতির অবক্ষয় ঘটেছে, আইন ও বিচার ব্যবস্থার আস্থা হ্রাস পেয়েছে|

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ কালীমন্দির চত্বরে ৮১ ফুট উচ্চতায় রামমূর্তি নির্মাণ করতে যেয়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে শেষ পর্যন্ত কথিত অর্থপাচারের মামলায় গত ১২ জুলাই ২০২৬ রাতে গ্রেফতারের উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বেশ কিছুকাল যাবৎ যে উগ্র সাম্প্রদায়িক মহল মূর্তি নির্মাণের বিরোধিতা করে এসেছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে, সারা দেশজুড়ে অহেতুক ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে ও ˆনরাজ্যকর পরিস্থিতির অবসানে তাদের বিরুদ্ধে কোনরূপ শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে সাম্প্রদায়িক হুমকির শিকার হরিদাসচন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক ও অগ্রহণযোগ্য এবং তা গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ধর্মীয় স্বাধীনতার নির্লজ্জতম পরিপন্থী| এহেন গ্রেফতারের ঘটনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে যা গোটা জাতির জন্যে দুর্ভাগ্যজনক| সংবাদ সম্মেলন থেকে অনতিলিম্বে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের আশু মুক্তির দাবি জানানো হয়| ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে এ মর্মে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় যে, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে সরকারই না প্রকারান্তরে নির্মাণাধীন রামমূর্তি পূর্ণাঙ্গ রূপদানে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে| যদি তাই হয়, তাহলে এটি হবে নিঃসন্দেহে সনাতনী সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক ধর্মীয় অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, যা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না| সংবাদ সম্মেলনে বছর দুয়েক আগে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র প্রভু চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীরও মুক্তির দাবি জানানো হয়| সংবাদ সম্মেলনে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়তশাসিত এমনকি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিশেষ করে শিক্ষকদের গণহারে এবং নির্বিচারে ছাঁটাই এবং চাকুরীচ্যুত করা হয়| দুঃখের সাথে বলা হয়, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও আজ অব্দি এর কোন প্রতিকার দৃশ্যমান নয়|

ঐক্য পরিষদের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন| এতে (ক) ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, বিবৃতি, মিথ্যা গুজব প্রচার বা এ ধরণের যাবতীয় প্রচারণা বিশেষ ক্ষমতা আইনের 2(f)(iv), 2(f)(vii) avivq Prejudicial Act বা ক্ষতিকর কার্য হিসেবে অপরাধ গণ্যে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার; (খ) অনতিবিলম্বে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়কে ‘অধিকতর ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী’ বিবেচনায় তাদের সামগ্রিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্যে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার; (গ) ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের সামগ্রিক স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ, অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের লক্ষ্যে অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ, ˆবষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন; (ঘ) ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অস্তিত্ব রক্ষায় অনতিবিলম্বে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবি ৮ (আট) দফা অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানানো হয়| ৮ (আট) দফা দাবিনামার মধ্যে রয়েছে- সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন; জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন ও সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন; অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের যথাযথ প্রয়োগে যাবতীয় আমলাতান্ত্রিক বাধা অপসারণ করে ট্রাইব্যুনালের রায়ের আলোকে জমির মালিকানা ও দখল ভুক্তভোগীদের বরাবরে অনতিবিলম্বে প্রত্যর্পণ; বিগত সাত দশকের অব্যাহত নির্যাতন, নিপীড়ন, বৈষম্যের কারণে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ‘অগ্রসরমান জনগোষ্ঠী থেকে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী’তে পরিণত হওয়ায় বিদ্যমান সংবিধানের ২৮(৪) অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর যথাযথ প্রতিনিধিত্ব সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করার লক্ষে বাংলাদেশের সংসদে ৬০টি সংসদীয় আসন নির্ধারণ করে সংখ্যালঘুদের সরাসরি ভোটে সংখ্যালঘুদের জন্যে ৬০টি আসন সংরক্ষণ; দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণে আইন প্রণয়ন; ˆবষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন ও এর পাশাপাশি সকল জনপ্রতিনিধিত্বশীল ও রাষ্ট্রীয় সংস্থায় এবং পুলিশ-সামরিক বাহিনীসহ সর্বস্তরে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর আনুপাতিক হারে অংশীদারিত্ব-প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ; পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনের যথাযথভাবে কার্যকরকরণ; সমতলের আদিবাসীদের জন্যে পৃথক ভূমি কমিশন গঠন; সকল সংখ্যালঘু ধর্মসম্প্রদায়ের ধর্ম পালনে অধিকতর উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান সরকারি ছুটিসমূহের অতিরিক্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দূর্গাপূজায় অষ্টমী থেকে দশমী-এ ৩ দিন, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রবারণা পূর্ণিমায় ১ দিন ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইস্টার সানডে’তে ১ দিন সরকারী ছুটি ঘোষণা ও এর পাশাপাশি ধর্মীয় ট্রাস্টসমূহকে বিলোপ করে ফাউণ্ডেশনে রূপান্তরকরণ|

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের অন্যতম সভাপতি মি. নির্মল রোজারিও; সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ, মিলন কান্তি দত্ত, রঞ্জন কর্মকার, ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, হীরেন্দ্রনাথ সমাজদার হীরু; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্র নাথ বসু; সাংগঠনিক সম্পাদক দিপংকর ঘোষ, পদ্মাবতী দেবী; যুব বিষয়ক সহ-সম্পাদক বলরাম বাহাদুর; সহ-শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক অর্জুন ˆবদ্য; ছাত্র ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিপংকর চন্দ্র শীল প্রমুখ|


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives