মানবাধিকার সংস্থায় অভিযোগ, তদন্তে ঝিনাইগাতীতে চেয়ারম্যান মইনুর রশীদ চৌধুরী
ইন্টারন্যাশনাল লিগ্যাল এইড অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনে দায়ের করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেছে সংস্থাটির একটি দল। তদন্ত দলের নেতৃত্ব দেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মইনুর রশীদ চৌধুরী।
অভিযোগকারী সানজিদা আক্তার গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সংস্থাটির কাছে অভিযোগ করেন। তিনি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী থানার ধানশাইল এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগে তিনি কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ব্ল্যাকমেইল, সামাজিকভাবে মানহানি, স্বর্ণালংকার লুট, মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মারধর এবং পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কারাগারে পাঠানোর অভিযোগ তোলেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন মো. আলিম উদ্দিন, মো. কালা চাঁন, মোছাম্মৎ রোকসানা, মো. রুবেল, মো. ইমরান, মো. জহুরুল, মো. মমতাজ উদ্দিন, মো. মোফাজ্জল, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুর রশীদ এবং ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম। অভিযোগে তাদের সংশ্লিষ্টতার দাবি করা হলেও এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে তথ্য যাচাই এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মইনুর রশীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে তদন্তকারী দল ধানশাইল এলাকায় সরেজমিনে উপস্থিত হয়। এ সময় দলের সদস্যরা স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের চেষ্টা করেন।
তদন্ত দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইমাম, মহাসচিব মো. আব্দুস সালাম, যুগ্ম সচিব মো. লাল মিয়াসহ সংস্থার অন্যান্য প্রতিনিধিরা।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মইনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, মানবাধিকার সংস্থায় অভিযোগ জমা পড়লে তার ভিত্তিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তদন্তকারী দল কাজ করে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।







