বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শপিংমল-মার্কেট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, আলোকিত বিলবোর্ড ৭টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পারে: কবির চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ক সভা  আগামি বছরের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে আলাদা থানা চালু করা হবে : ববি হাজ্জাজ নিউইয়র্কে জেএফকে বাংলাদেশি ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ারের অভিষেক স্বাধীনতা বিরোধী ও মৌলবাদের উত্থান রোধ করতে হবে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার যশোরে পুলিশ শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস নয়, সংস্কার করা হবে : জেলা পুলিশ জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ আদিবাসী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিশু রামিসা হত্যার দায়ে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড !

​স্টাফ রিপোর্টার ঢাকা : / ১২৪ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

শিশু রামিসা হত্যার দায়ে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড !

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।আজ (রোববার) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থদণ্ডের টাকা রামিসার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাকা দিতে না পারলে আসামি সোহেল ও স্বপ্নার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তা দেওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।রায় ঘোষণার আগে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।এর আগে গত ৪ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান।এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।এ ঘটনায় গত ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। একই দিন আদালত স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন। গত ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives