মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীর ক্ষমতায়ন, ভূমি ও কৃষিতে প্রবেশাধিকার এবং সম মজুরী নিশ্চিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরী ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি রোভার স্কাউট গ্রুপের ৩য় দীক্ষা ক্যাম্প ও তাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে নারী সংসদ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতা করে থাকলে,তাঁকেই কেন সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়? আউটসোর্সিং কর্মচারীদের বৈষম্য দীর্ঘায়িত করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’—মাহাবুব হোসেন ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানী প্রতিরোধ করি, সকল নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করি’-এই প্রতিপাদ্যের আলোকে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত কোম্পানির হস্তক্ষেপ তামাক নিয়ন্ত্রণের বড়ো বাঁধা ব্যাটিং ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ম্যাচে হারল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল টেকসই গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে: সিইসি

নৈতিক অবক্ষয় রোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার দাবি

বিশ্বজিৎ মন্ডল , ঢাকা:    / ৫৯ Time View
Update : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

​নৈতিক অবক্ষয় রোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার দাবি

​

দেশে সব সমস্যার মূলে রয়েছে ভয়াবহ নৈতিক অবক্ষয়। সম্পদ ও ক্ষমতার বশবর্তী হয়ে আমলা, রাজনীতিবিদ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, পেশাজীবী ও যুবসমাজের একাংশ আজ নীতি-নৈতিকতাহীন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এ অবস্থা থেকে দেশকে রক্ষা করতে সকল স্তরে নৈতিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা এবং আলাদা ‘নৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠনের প্রস্তাব জানানো হয়েছে।

​গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: মাহফুজুর রহমান। তিনি বিনা বেতনে ‘নৈতিক পরামর্শদাতা’ হিসেবে দেশের সেবা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের শিক্ষার হার ও প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলেও কাঙ্ক্ষিত সামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ চারিত্রিক অধঃপতন ও পারিবারিক, সামাজিক মূল্যবোধের বিনাশ। “শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড” হলেও নৈতিকতাহীন শিক্ষা দেশ ও সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। পারিবারিক শাসনের অভাব এবং মোবাইল ফোনের যথেচ্ছ ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার তরুণ সমাজকে বিপথগামী করছে।

​সংবাদ সম্মেলনে দেশের নৈতিক সংকট নিরসনে ৮ দফা সুপারিশ পেশ করা হয়:

​১. জরুরি ভিত্তিতে রাষ্ট্রের সরকারি ও বেসরকারি সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নৈতিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা।

২. দেশের কল্যাণবিরোধী অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত আমলা, রাজনীতিবিদ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।

৩. জেলা পর্যায়ে ‘নৈতিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ স্থাপন করা।

৪. তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে ১ম থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা।

৫. দেশের বৃহত্তর স্বার্থে শিক্ষাবিদ, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ‘নৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ (Ministry of Moral Affairs) গঠন করা।

৬. নতুন প্রজন্মের চরিত্র গঠন ও আনন্দঘন শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন।

৭. মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা অর্পণ।

৮. দেশকে ভালোবেসে সকলকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান।

​সংবাদ সম্মেলনে প্রফেসর মো: মাহফুজুর রহমান বলেন, নৈতিক অবক্ষয় রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়, তবে রাষ্ট্রের ইতিবাচক পদক্ষেপ ও প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিক প্রশিক্ষণ চালুর মাধ্যমে একটি সৎ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠন করা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives