মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীর ক্ষমতায়ন, ভূমি ও কৃষিতে প্রবেশাধিকার এবং সম মজুরী নিশ্চিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরী ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি রোভার স্কাউট গ্রুপের ৩য় দীক্ষা ক্যাম্প ও তাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে নারী সংসদ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতা করে থাকলে,তাঁকেই কেন সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়? আউটসোর্সিং কর্মচারীদের বৈষম্য দীর্ঘায়িত করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’—মাহাবুব হোসেন ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানী প্রতিরোধ করি, সকল নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করি’-এই প্রতিপাদ্যের আলোকে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত কোম্পানির হস্তক্ষেপ তামাক নিয়ন্ত্রণের বড়ো বাঁধা ব্যাটিং ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ম্যাচে হারল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল টেকসই গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে: সিইসি

আটকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুক্ত রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১৫০ Time View
Update : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

আটকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুক্ত রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর আটক হওয়া লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কয়েক ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনায় বসেন রাহুল গান্ধী। তিনি সেখানে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিলে দিল্লি পুলিশ তাকে আটক করে। পরে কয়েক ঘণ্টা পর ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করে মন্দির মার্গ থানায় রাখা হয়েছিল। পরে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়। রাতে সেখানে যান কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী। কিছু সময় অবস্থান শেষে তিনিও থানা থেকে ফিরে যান।

এদিকে সোমবার পুলিশ ও সিজেপি সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় আটক আরও ৭০ জনকেও মঙ্গলবার ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি সরকারি সম্পদ নষ্টের অভিযোগে ছয়টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

রাহুল গান্ধীর কর্মসূচির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে রাহুল গান্ধীর আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং এটি ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে একটি কালো দিন।

এদিকে রাতে যন্তর মন্তর এলাকায় পৌঁছান মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তিনি সিজেপির বিক্ষোভে যোগ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে জড়ো হন দলটির নেতা-কর্মীরা। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ৭ লোক কল্যাণ মার্গের উদ্দেশে মিছিল বের করা হয়। মিছিলে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও। এরপর মোদির বাসভবনের নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ এবং মোতায়েন করা হয় র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স।

বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেন। ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বললেও কংগ্রেস নেতারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এদিকে বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, পুরো কর্মসূচি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির নেতা সোমনাথ ভারতী অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী বিষয়টিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন এবং ছাত্র-যুবদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়াতে চাইলে তার যন্তর মন্তরে যাওয়া উচিত ছিল।

সূত্র: কলকাতা টিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives