মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীর ক্ষমতায়ন, ভূমি ও কৃষিতে প্রবেশাধিকার এবং সম মজুরী নিশ্চিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরী ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি রোভার স্কাউট গ্রুপের ৩য় দীক্ষা ক্যাম্প ও তাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে নারী সংসদ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতা করে থাকলে,তাঁকেই কেন সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়? আউটসোর্সিং কর্মচারীদের বৈষম্য দীর্ঘায়িত করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’—মাহাবুব হোসেন ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানী প্রতিরোধ করি, সকল নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করি’-এই প্রতিপাদ্যের আলোকে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত কোম্পানির হস্তক্ষেপ তামাক নিয়ন্ত্রণের বড়ো বাঁধা ব্যাটিং ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ম্যাচে হারল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল টেকসই গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে: সিইসি

যুক্তরাষ্ট্র এখনও উত্তর কোরিয়ার শত্রু, কেন বললেন কিমের বোন?

এসময় ডেস্ক ঃ / ৬১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

 

চলতি বছরের শেষের দিকে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এমন খবরের মধ্যেই ওয়াশিংটনের প্রতি পিয়ংইয়ংয়ের কড়া ও কৌশলী অবস্থান স্পষ্ট করলেন কিমের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো-জং।

গত মঙ্গলবার ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আলোচনা চলছে। চলতি বছরের শেষের দিকে কিমের সঙ্গে তার বৈঠকটি হতে পারে। তবে পরদিনই উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্পের দাবি একপ্রকার নাকচ করে দেন কিম ইয়ো-জং। জানান, তথাকথিত এই যোগাযোগের বিষয়ে তিনি ‘বিন্দুমাত্র কিছু জানেন না’।

তিনি বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এই মুহূর্তেও উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জোরেশোরে বৈরী সামরিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।’

তবে ট্রাম্পের প্রতি তার ব্যক্তিগত অনুভূতির কথাও উল্লেখ করেন কিম ইয়ো-জং। কিন্তু তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র পিয়ংইয়ংয়ের শত্রু হিসেবেই রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কিম ইয়ো-জংয়ের বক্তব্যের মূল কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান সামরিক সহযোগিতা। উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি হিসেবে দেখে। যদিও ওয়াশিংটন ও সিউল বরাবরই বলে আসছে, এসব মহড়া প্রতিরক্ষামূলক।

সেজন্য ট্রাম্প সম্প্রতি দেশটির সঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ কমানোর কথা বললেও পিয়ংইয়ং মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক নীতিতে এখনো কোনো পরিবর্তন আসেনি। এ কারণেই কিম ইয়ো-জং একদিকে ট্রাম্পের প্রতি ভালো স্মৃতি ও ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা বলেছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়ার শত্রু হিসেবেই উল্লেখ করেছেন। তার বক্তব্যে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট। পিয়ংইয়ং ব্যক্তিগত সম্পর্কের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক নীতির পরিবর্তনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

এদিকে, বুধবার (১৯ আগস্ট) মেরিন ওয়ানের সামনে সাংবাদিকরা ট্রাম্পকে কিমের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে আরও প্রশ্ন করেন। তিনি সরাসরি যোগাযোগ করছেন কি না, তা স্পষ্ট করেননি। তবে এ বছরের শেষ দিকে কিমের সঙ্গে দেখা করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, দেখা করব’। ট্রাম্প জানান, তিনি কিম জং-উনকে খুব ভালোভাবেই চেনেন।

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প সংবেদনশীল কিছু তথ্যও প্রকাশ করেন। গোয়েন্দা সংক্রান্ত এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য সাধারণত প্রকাশ্যে আনা হয় না। তিনি দাবি করেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে ৫৭টি অত্যন্ত শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রধারী হতে দেওয়া উচিত নয়।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

Archives