শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘জনগণের সেবা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’-দীপেন দেওয়ান ৯০’র গণঅভ্যুত্থান কিংবদন্তি ছাত্রনেতা শফি আহমেদ এর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত সার সংকটের সমাধান, কৃষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা-গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কাজী নজরুল ইসলামকে উদযাপন: সংস্কৃতি, সাহিত্য ও বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের এক অনন্য সন্ধ্যা ঢামেক ছাত্রদলের সোনালী ফসল মামুন শিবলীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার বনাম অবিচল দ্বায়িত্বশীলতা আগামীর বরিশাল বিভাগ : সম্ভাবনা ও করনীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত শিল্পকলায় পাণ্ডুলিপি পাঠমঞ্চের তৃতীয় আসরে পাণ্ডুলিপি পাঠ করেন দেশবরেণ্য নাট্যকার ও নির্দেশক মাসুম রেজা। সোভিয়েত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (SAAB)-এর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উদযাপন ফরহাদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বাংলাদেশে এআই-চালিত অ্যাড নেটওয়ার্ক অ্যাডজোইক-এর যাত্রা শুরু
/ Uncategorized
জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় খাদ্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নিশ্চিতের আহ্বান অতিরিক্ত চিনি, সোডিয়াম (লবণ) ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ অতিপ্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাদ্যের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক ঝুঁকি তৈরি করছে। read more
​নৈতিক অবক্ষয় রোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার দাবি ​ দেশে সব সমস্যার মূলে রয়েছে ভয়াবহ নৈতিক অবক্ষয়। সম্পদ ও ক্ষমতার বশবর্তী হয়ে আমলা, রাজনীতিবিদ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, পেশাজীবী ও
দৃশ্যমান দুর্যোগের বাইরে অদৃশ্য জলবায়ু সংকট জলবায়ু পরিবর্তনের কথা উঠলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কিছু পরিচিত দৃশ্য – ভয়াবহ দাবানল, আকস্মিক বন্যা, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ কিংবা খরায় ফেটে যাওয়া মাটি।
সোশ্যাল মিডিয়ার চোরাবালি ও বিভ্রান্ত তরুণ প্রজন্ম: সংকটের মনস্তাত্ত্বিক জ্যামিতি ও উত্তরণের পথ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যে তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়ক ধরে মানবসভ্যতা এক নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছিল, একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে
পুরনো দামের সিগারেট বিক্রি করে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে তামাক কোম্পানি বাজেট ঘোষণার দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও দেশের তামাক কোম্পানিগুলো এখনো পুরনো দামের সিগারেট নতুন দামে বিক্রি করে সরকারের
ক্যাম্পাস টু কর্পোরেট’ প্রতিপাদ্যে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে স্কিল অ্যান্ড এমপ্লয়েবিলিটি সামিট অনুষ্ঠিত ‘ক্যাম্পাস টু কর্পোরেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দিনব্যাপী ‘স্কিল অ্যান্ড এমপ্লয়েবিলিটি সামিট ২০২৬’। শনিবার (১৫ আগস্ট) আয়োজিত এ সামিটের মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও কর্পোরেট দুনিয়ার মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে তাদের চাকরির বাজারের জন্য আরও দক্ষ ও প্রস্তুত করে তোলা। সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুপ্রেরণামূলক বক্তৃতা প্রদান করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী (Professor Dr. Farid A. Sobhani)। উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ডিন প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম ইকবাল আজিম ও ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা। সামিটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জব অফার। দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান এতে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীরা সরাসরি প্রতিষ্ঠানগুলোর বুথে গিয়ে তাদের পছন্দের পদ ও সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের জন্য সিভি জমা দেওয়ার সুযোগ পান। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পরবর্তীতে জমা পড়া সিভিগুলো যাচাই-বাছাই করে সম্ভাব্য শূন্যপদের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচন করবে। সামিটের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে খ্যাতনামা চাকরির প্ল্যাটফর্ম স্কিল জবস। শুধু চাকরির সুযোগ নয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় সামিটে।দিনব্যাপী বিভিন্ন অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন খাতের অভিজ্ঞ কর্পোরেট পেশাজীবীরা অংশ নেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের সিভি লেখার কৌশল, চাকরির সাক্ষাৎকারে নিজেকে উপস্থাপন, কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, নেতৃত্ব, দলগত কাজ, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং আধুনিক কর্পোরেট পরিবেশের উপযোগী পেশাগত দক্ষতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যবহুল দিকনির্দেশনা দেন। আলোচনায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা, কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন, ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড তৈরি, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, প্রবৃদ্ধিমুখী মানসিকতা, আত্মসচেতনতা ও কর্মসংস্থানযোগ্যতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চাহিদা ও প্রত্যাশা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা লাভের সুযোগ পান। সমাপনী পর্বে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান (Dr. Abul Basher
 বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে সারাদেশে নারীর প্রতি অব্যাহত  সহিংসতা, ধর্ষণ, হত্যা ও শিশু হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত । আজ ১৬ আগস্ট ২০২৬ (রবিবার) বিকাল ৩:৩০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে সারাদেশে অব্যাহত নারীর প্রতি  সহিংসতা, ধর্ষণ, হত্যা ও শিশু হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।  উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সকল জেলা শাখায়  আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মাসুদা রেহানা বেগম; আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন শান্তি; ঢাকা মহানগর কমিটির লিগ্যাল এইড সম্পাদক শামীমা আফরোজ আইরীন; সাংগঠনিক সম্পাদক কানিজ ফাতেমা টগর এবং কেন্দ্রীয় কমিটির লিগ্যাল অ্যাডভোকেসি ও লবি পরিচালক অ্যাড. দীপ্তি শিকদার। কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন গণসাক্ষরতা অভিযানের প্রোগ্রাম অফিসার সিজুল ইসলাম, ঢাকা ওয়াইডব্লিউ সিএ অব বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ফারজানা  আক্তার। আরো উপস্থিত ছিলেন অভিযান ও ব্র্যাক বিশ^বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি। উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা মহানগর কমিটির নেত্রীবৃন্দ, সম্পাদকমন্ডলী, কর্মকর্তাগণ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ প্রায় শতাধিক  জন উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেটওয়ার্কিং ও অ্যাডভোকেসি পরিচালক জনা গোস্বামী। সভাপতির বক্তব্যে ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, আমাদের হাতে যে তথ্য-উপাত্ত এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, গত সাত মাসে ৮৩ জন কন্যাশিশু ও ২৫৮ জন নারী হত্যার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৩১ টি ঘটনা ধর্ষণ ও ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যান্য হত্যাকান্ডের পেছনে রয়েছে জমিজমা নিয়ে বিরোধ, মামলা-মোকদ্দমা, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন কারণ। কিন্তু এটি শুধু হত্যার সংখ্যা নয়; হত্যার ধরণ ও নৃশংসতাও আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে।” তিনি বলেন, “আমরা যে তথ্য পাচ্ছি, তা মূলত সীমিতসংখ্যক সংবাদপত্রের প্রতিবেদন থেকে সংগৃহীত। মাত্র ১৪টি পত্রিকার তথ্যের ভিত্তিতে এই চিত্র পাওয়া গেছে। অথচ দেশে আরও অসংখ্য সংবাদমাধ্যম রয়েছে। সব সংবাদমাধ্যমের তথ্য যদি আমাদের হাতে আসত, তাহলে নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকৃত চিত্র আরও ভয়াবহ হতে পারে। ফলে প্রশ্ন উঠছে বাংলাদেশে নারীর নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার কতটা নিশ্চিত?” তিনি আরও বলেন, “সমাজে বৈষম্য দূর করতে হলে শুধু বৈষম্য কমেছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা করলেই হবে না; বৈষম্যের প্রবণতা ও এর কাঠামোগত কারণগুলোও বিবেচনা করতে হবে। নারীসহ সমাজের সকল মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।” তিনি এসময় দৃঢ়ভাবে বলেন, “নারীদের ভয় দেখিয়ে ঘরে ফেরানো যাবে না। নারীরা তাদের অধিকার আদায়ে সংগঠিত থাকবে। নারী হত্যা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার থাকব এবং এমন একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করব, যেখানে নারীকে হত্যা, ধর্ষণ বা নির্যাতনের শিকার হতে হবে না।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ শুধু বিচার দাবি করবে না; নারী হত্যা ও সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, দ্রত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, রাজনৈতিক জবাবদিহি এবং সামাজিকভাবে সহনশীল পরিবেশ তৈরির জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে। নারীর মানবাধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ১৬৬৭ জন নারী ও শিশু বিভিন্ন ধরণের সহিংসতার শিকার হয়েছেন, ২৯২ জন নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায়  স্পষ্ট হয় বাংলাদেশের নারী ও শিশুরা আজ কোনো জায়গাতেই পুরোপুরি নিরাপদ নয়। শুধু ধর্ষণ বা যৌন সহিংসতাই নয়, হত্যা, নির্যাতন ও নানা ধরনের সহিংসতার শিকার হচ্ছে নারী ও শিশুরা। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই সহিংসতার প্রবণতা আমরা কমাতে পারছি না। যে শিশুটি এখনও শারীরিক ও মানসিকভাবে পূর্ণ বিকাশ লাভ করেনি, যে শিশু এখনও নিজেকে একজন নারী হিসেবে চিহ্নিত করার বয়সে পৌঁছায়নি, সেই শিশুও যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো অপরাধীরা বিভিন্ন বয়সের মানুষ। শিশু, কিশোরী, তরুণী কিংবা বৃদ্ধা কেউই এই সহিংসতার বাইরে নয়। যদি কেউ মনে করেন, ১৬ কোটি, ১৮ কোটি বা ২০ কোটি মানুষের দেশে কয়েকশ নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতার ঘটনা সংখ্যার বিচারে খুব বেশি নয়, তাহলে আমরা সেই ধারণাকে ধিক্কার জানাই। একটি নারী বা একটি শিশুর জীবনও কোনোভাবেই নগণ্য নয়। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে নারী ও শিশুরা স্বাধীনভাবে, নিরাপদে এবং মর্যাদার সঙ্গে চলাফেরা করতে পারবে। যেখানে পরিবার হবে নিরাপদ, সমাজ হবে সহনশীল এবং রাষ্ট্র হবে তাদের অধিকার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দাতা। নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচারব্যবস্থা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং প্রতিটি নাগরিককে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব নিতে নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরো বলেন নারী ও শিশুর চারপাশে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তাবলয় তৈরি করতে হবে, যাতে তারা স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার ভোগ করতে পারে। একই সঙ্গে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান। পাশাপাশি বলেন, শুধু অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর বিচার করলেই হবে না। কীভাবে এই অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়, কীভাবে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সহিংসতার সংস্কৃতি বন্ধ করা যায় সেদিকেও সমান গুরুত্ব দেয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনে পুলিশি বাধা, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতির তীব্র নিন্দা ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করতে পুলিশি বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছে

Archives